উজ্জ্বল বন্দ্যোপাধ্যায়: বারুইপুর কান্ডে এনকাউনটারের পরে মুখ্যমন্ত্রীর প্রশংসা করলেন মৃত নাবালিকার বাবা।দাদাকে ভরসা করি, পুলিশ ভালো কাজ করছে, বারুইপুর এনকাউন্টারে মুখ্যমন্ত্রীর প্রশংসা নির্যাতিতার বাবার।কথা রেখেছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। বারুইপুর ধর্ষণ ও খুনের ঘটনায় চার অভিযুক্ত প্রভাস মণ্ডল, দিবাকর মণ্ডল, আনন্দ সর্দার ও কবীর মোল্লাকে গ্রেপ্তার হয়েছে। এনকাউন্টারে মৃত্যু হয়েছে প্রভাসের। মুখ্যমন্ত্রী ও পুলিশের ভূমিকায় খুশি নির্যাতিতার বাবা। বললেন, “মুখ্যমন্ত্রী আমার দাদা, আমার পুরো ভরসা আছে।

দাদার কাজে আমি খুশি। পুলিশও খুব ভালো কাজ করেছে।” এ প্রসঙ্গে নির্যাতিতার বাবা বলেন,  “মুখ্যমন্ত্রী আমার দাদা হন। দাদা আমাকে কথা দিয়েছিলেন দোষীরা কেউ ছাড় পাবেন না। দাদার উপর আমার পুরো ভরসা আছে। দাদার কাজে আমি খুশি। পুলিশও খুব ভালো কাজ করেছে।
আমার মেয়ে বিচার পাবে, আমার বিশ্বাস দাদা কথা রাখবেন।” রবিবার সকাল থেকে বারুইপুর ধর্ষণ ও খুন কাণ্ডে উত্তপ্ত গোটা বাংলা। ঘটনার কয়েকঘণ্টার মধ্যে ৬ সদস্যের সিট গঠনের নির্দেশ দেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। ফোনে কথা বলেন নির্যাতিতার বাবার সঙ্গে। কয়েকঘণ্টার মধ্যেই গ্রেপ্তার করা হয় তিন অভিযুক্ত প্রভাস মণ্ডল, দিবাকর মণ্ডল, আনন্দ সর্দারকে। মঙ্গলবার নিজে বারুইপুর গিয়েছিলেন শুভেন্দু। কথা বলেন নির্যাতিতার পরিবারের সঙ্গে।
আশ্বাস দেন সুবিচারের। আর তার ১২ ঘণ্টা পেরনোর আগেই এনকাউন্টারে খতম হয়েছে অভিযুক্ত প্রভাস। ঘটনার পুনর্নিমাণের সময় প্রভাস পুলিশের আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে গুলি চালানোর চেষ্টা করে বলেই দাবি। এরপরই আত্মরক্ষায় গুলি চালান পুলিশ অফিসার অর্ঘ্য মণ্ডল। এদিকে রাতেই গ্রেপ্তার হয়েছে চতুর্থ ‘ধর্ষক’ কবীর মোল্লা। মুখ্যমন্ত্রী ও পুলিশের ভূমিকায় খুশি নির্যাতিতার পরিবার। অন্যায়ের শাস্তিতে খুশি সকলে।