পুবের কলম ওয়েব ডেস্কঃ রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী এবং বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য দলীয় কর্মী সমর্থকদের ডিম-ছোড়া সংস্কৃতি থেকে দূরে থাকার বার্তা দিয়েছিলেন। বিরোধী দলীয় কর্মীদের ডিম ছোড়ার অভিযোগে আদালতে জনস্বার্থ মামলাও দায়ের হয়েছে। মঙ্গলবার বিজেপির শিক্ষা সেলের সেমিনার শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য সাফ জানিয়ে দেন, বাংলায় ডিম ছোড়ার রাজনীতি চলবে না। রাজ্যজুড়ে তৃণমূল নেতাদের লক্ষ্য করে চলছে ডিম-বর্ষণ। উত্তর থেকে দক্ষিণ, রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে ডিম ছোড়ার ঘটনা ঘটেই চলেছে। এই ইস্যুতে ফের বার্তা দিয়ে বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য বলেন, এই সংস্কৃতি চলতে থাকলে দেশের সামনে চুনকালি পড়বে।
আরও পড়ুন:
আজ, মঙ্গলবার ন্যাশনাল লাইব্রেরিতে বিজেপি শিক্ষক সেলের সমাবেশ ছিল। সেখানেই এদিন উপস্থিত ছিলেন বিজেপি রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য এবং মন্ত্রী দীপক বর্মন। সেই অনুষ্ঠানেই যেভাবে রাজ্যজুড়ে ‘ডিমথেরাপি’ চলছে, তার রীতিমতো সমালোচনা করেন বিজেপি সাংসদ। শমীক ভট্টাচার্য বলেন, দডিম ছোড়ার সংস্কৃতি চলতে থাকলে দেশের সামনে চুনকালি পড়বে। অবিলম্বে তা যাতে বন্ধ হয়, সেই আবেদনও রাখেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি। ডিম নিয়ে এহেন বার্তা নতুন নয়!
এর আগেও এই ইস্যুতে বার্তা দিয়েছিলেন শমীক ভট্টাচার্য। প্রকাশ্যেই তিনি জানিয়েছিলেন, ডিম ছোড়া কোনও রাজনৈতিক দলেরই সুস্থ কর্মসূচি হতে পারে না। এই পরিস্থিতির দ্রুত পরিবর্তন হওয়া দরকার। পাশাপাশি শমীক ভট্টাচার্য বলেন, আগের তৃণমূল সরকার সরকারি কর্মচারীদের সঙ্গে প্রতারণা করেছে। জনসাধারণের টাকায় অনেক খরচ করে আইনজীবী নিয়োগ করেছে। এরপরেই মঞ্চে উপস্থিত রাজ্যের মন্ত্রী দীপক বর্মনকে শমীক ভট্টাচার্য পরামর্শ দিয়ে বলেন, ‘আমি বলব, কোনও দফতর কত টাকা আইনজীবীদের নিয়োগে খরচ করে তা খতিয়ে দেখে শ্বেতপত্র প্রকাশ করুক শিক্ষা দফতর।আরও পড়ুন:
ডিম সংস্কৃতি কড়া সমালোচনা করে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী বলেছিলেন, ২০ শতাংশ ডিএ বৃদ্ধির ঘোষণা করা হয়েছে বাজেটে। এক লক্ষ চাকরির প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে। এটাই সেরা জবাব তৃণমূলের জন্য। অকারণে ডিম ছোড়া একেবারেই সাধারণ মানুষ পছন্দ করছে না। শীর্ষ নেতৃত্বের এহেন বার্তার পরেও অবস্থার বদল ঘটেনি। এই অবস্থায় এদিনে শমীকের বার্তা যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করা হচ্ছে। অন্যদিকে, এদিন আইনজীবী নিয়োগে কত টাকা পূর্বতন তৃণমূল সরকার খরচ করে, সেই সংক্রান্ত শ্বেতপত্র প্রকাশের দাবি জানিয়েছেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি।