পুবের কলম ওয়েব ডেস্ক: বিধানসভা নির্বাচনের পরবর্তী সময়ে তৃণমূল কংগ্রেসের অন্দরে ভাঙন অব্যাহত রয়েছে। বিধানসভার বিরোধী দলনেতা ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে দলের একাংশ বিধায়ক আগেই প্রকাশ্যে বিদ্রোহ ঘোষণা করেছিলেন। তারা নিজেদের প্রকৃত তৃণমূল হিসেবে দাবি করে আসছেন। এই ধারাবাহিকতায় এবার বড় পদক্ষেপ নিয়ে তৃণমূল বিদ্রোহ উসকে দিয়ে তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে সাসপেন্ড করল ঋতব্রত শিবির।
আরও পড়ুন:
আজ বিধানসভায় বাজেট অধিবেশন শেষ হওয়ার পর ঋতব্রত গোষ্ঠীর বিধায়করা নিউ টাউনের একটি হোটেলে জরুরি বৈঠকে বসেন।
এই বৈঠকে তৃণমূলের ৬০ জন বিধায়ক উপস্থিত ছিলেন এবং সেই সঙ্গে কলকাতা পুরসভার ৭০ জন প্রাক্তন কাউন্সিলরও অংশ নেন। বৈঠকে দলের নতুন কমিটি গঠনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়, যেখানে প্রাথমিকভাবে ৩০ জন সদস্য রাখার পরিকল্পনা করা হয়েছে। তৃণমূল বিদ্রোহের অংশ হিসেবে এই নতুন কমিটিতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে সভানেত্রীর পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। এছাড়াও আজকের বৈঠকের মঞ্চে তৃণমূলের ব্যানারে নেত্রীর কোনো ছবি ছিল না।আরও পড়ুন:
এই নতুন কমিটিতে মধ্য হাওড়ার বিধায়ক অরূপ রায়কে সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেসের নেতা হিসেবে মনোনীত করা হয়েছে।
বৈঠকের শুরুতে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় দলের সাংবিধানিক সংকটের বিষয়টি সামনে আনেন। তিনি দাবি করেন, তৃণমূলের সংবিধানের ২০ নম্বর ধারা অনুযায়ী প্রতি তিন বছর অন্তর ন্যাশনাল ওয়ার্কিং কমিটি গঠন করা বাধ্যতামূলক। কিন্তু নির্ধারিত সময় পেরিয়ে গেলেও নতুন ওয়ার্কিং কমিটি তৈরি করা হয়নি। ২০২২ সালের ১২ ফেব্রুয়ারি শেষবার এই কমিটি গঠিত হয়েছিল। সেই সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতা থেকেই এই বৈঠক ডাকা হয়েছে বলে জানিয়েছেন ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়।