পুবের কলম ওয়েব ডেস্কঃ মিড-ডে মিলের খাবারের গুণমান বৃদ্ধি সহ শিক্ষকদের হাজিরায় প্রতিটি স্কুলে বায়োমেট্রিকের ব্যবস্থার উদ্যোগ নিল রাজ্যের বিদ্যালয় শিক্ষা বিভাগ। মঙ্গলবার কলকাতার ন্যাশনাল লাইব্রেরির অডিটোরিয়ামে বিজেপির শিক্ষা সেলের সেমিনারে এ কথা বলেন স্কুলে শিক্ষামন্ত্রী দীপক বর্মণ। তিনি এদিন বলেন, শিক্ষকদের থেকে পড়ুয়াদের স্বার্থ বড়। পড়ুয়াদের জন্যই শিক্ষক নিয়োগ হয় স্কুলে। বিদ্যালয়ের পড়ুয়াদের শিক্ষার মানে কোনও গাফিলতির অভিযোগ পেলে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলে এদিন শিক্ষকদের উদ্দেশ্যে সাফ জানিয়ে দেন স্কুল শিক্ষামন্ত্রী।
আরও পড়ুন:
স্কুল শিক্ষামন্ত্রী বলেন, স্কুলে বায়োমেট্রিক ব্যবস্থা চালু এবং মিড ডে মিল সংক্রান্ত নতুন উদ্যোগ নিয়ে প্রতিক্রিয়া জানালেন রাজ্যের মন্ত্রী দীপক বর্মন।
শিক্ষা ব্যবস্থায় প্রযুক্তির ব্যবহার, স্কুলের উপস্থিতি পর্যবেক্ষণ এবং মিড ডে মিলের স্বচ্ছতা নিয়ে তাঁর বক্তব্যে উঠে এল একাধিক গুরুত্বপূর্ণ দিক। তাঁর কথায়, মিড ডে মিলের জন্য ইসকনকে একটি কিচেন দিতে হবে, তার পরিকল্পনা চলছে। তিনি এও জানিয়ে দিলেন, এখনও দিন নির্ধারিত না হলেও স্কুলে চালু হবে বায়োমেট্রিক।আরও পড়ুন:
অভিযোগ, ২০১৬ সালের যোগ্য চাকরিহারা শিক্ষক ও শিক্ষাকর্মীদের নিয়োগ প্রক্রিয়া ফের কবে থেকে চালু হবে, এই প্রসঙ্গে স্কুল শিক্ষামন্ত্রী বলেন, নিয়োগ প্রক্রিয়া নিয়ে এত মামলা হয়েছে যে, শেষ পর্যন্ত বিষয়টা কোন জায়গায় দাঁড়িয়ে আছে, সেটা বোঝা অনেক সময় কঠিন হয়ে যায়। শিক্ষা দফতর এসএসসি নিয়ে উচ্চ ন্যায়ালয়ের রায় সরকারের মানবিক দৃষ্টিভঙ্গি দিয়ে বিচার-বিবেচনা করছে। অতিদ্রুত যথাযথ পদক্ষেপ করা হবে।
দীপক বর্মন আরও বলেন, আমি এই সম্মেলন থেকেই সকলকে জানাচ্ছি, ২০১৬ সালের শিক্ষক ও শিক্ষাকর্মী নিয়োগ, ২০২৫ সালের নতুন এসএসসি সহ একাধিক বিষয় সম্পর্কে আমার এবং আমাদের দফতরের খুব ভাল ভাবে জানা আছে। আপনাদের অনুরোধ করছি, পুনরায় এই বিষয় নিয়ে আমার সঙ্গে সাক্ষাৎ, আমার ফোনে বড় বড় মেসেজ, মেল আর করবেন না। নিয়োগ সংক্রান্ত বিষয়টা আমার সামনে এখন সব থেকে বড় দরজা। এই দরজা ভেদ না করলে পরের ঘরে যেতে পারছি না। এটা ভেদ করতেই হবে। এই দরজা খোলার জন্য আমরা নিরন্তর প্রয়াস করছি। পাশাপাশি তিনি জানান, প্রাথমিকে সমস্ত শিক্ষকদের টেট দেওয়া নিয়ে যে বিতর্ক চলছে, সেই বিষয়টি কেন্দ্রীয় সরকার দেখছে। এই নিয়ে সুপ্রিম কোর্টের রায় আছে। তাই টেট সংক্রান্ত কিছু জানতে কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলতে হবে। স্কুল শিক্ষামন্ত্রী আরও বলেন, আপাতত বদলির অনুরোধ নিয়ে আমার কাছে আসবেন না। এটা একটা প্রক্রিয়া। সেই প্রক্রিয়ার জন্য সময় দিন। প্রত্যেকে সুযোগ পাবেন। কিন্তু, সেই সুযোগ পাওয়ার জন্য একটা প্রক্রিয়াকরণ চলছে। দ্রুত তা চালু হবে।