পুবের কলম ওয়েব ডেস্কঃ সোমবার রাতে পেনাল্টি শুটআউটে নেদারল্যান্ডসকে হারিয়ে বিশ্বকাপের শেষ ষোলোয় পৌঁছে গিয়েছে মরক্কো। দলের এই জয়ের পরেই নেদারল্যান্ডসের হেগ শহরে পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন ফুটবল ভক্তদের একাংশ। অন্যদিকে, মরক্কোর বৃহত্তম শহর কাসাব্লাঙ্কায় জয়ের উল্লাসে মেতে ওঠেন সমর্থকরা।
আরও পড়ুন:
নেদারল্যান্ডসে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক মরক্কীয় জনগোষ্ঠী রয়েছে। ফলে দুই দেশের বিশ্বকাপ ম্যচে তাঁদের সমর্থন ছিল মরক্কোর প্রতি। জয়ের পর মরক্কো ফুটবল দলের সমর্থকরা উৎসবের মেজাজে ছিলেন।
তবে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে শিল্ডারসউইক এলাকায়। হেগের পুলিশ জানিয়েছে, শিল্ডারসউইক এলাকায় মরক্কোর সমর্থকরা প্রচুর পরিমাণে আতশবাজি জ্বালাতে শুরু করে। এমনকি পুলিশকে লক্ষ্য করে আতশবাজি ও পাথর ছোড়ে তারা। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সেখানে প্রচুর সংখ্যক পুলিশ মোতায়েন করা হয়। সমর্থকদের ছত্রভঙ্গ করতে জলকামান ব্যবহার করে পুলিশ। এই ঘটনায় প্রকাশ্য হিংসা চালানোর অভিযোগে কয়েকজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলে পুলিশ জানিয়েছে।আরও পড়ুন:
পেনাল্টি শুটআউটকে ঘিরে ছিল টানটান উত্তেজনা। মরক্কোর বৃহত্তম শহর কাসাব্লাঙ্কায় ফুটবল প্রেমীদের মধ্যে ছিল নিস্তব্ধতা। কিন্তু, ইসমাইল সাইবারি নির্ণায়ক স্পট কিকটি জালে জড়িয়ে পড়তেই সেই নিশ্তব্ধতা ভেঙে যায়। উৎসবের মেজাজে মেতে ওঠে গোটা শহর। ফ্লেয়ার ও আতশবাজি ফাটতে শুরু করে। গাড়ির হর্ন বাজিয়ে সমর্থকরা গভীর রাত পর্যন্ত জয় উদযাপন করেন।
কর্মদিবস থাকা সত্ত্বেও, স্থানীয় সময় ভোর ৫টার দিকে কাসাব্লাঙ্কার অন্যতম প্রধান রাজপথে বহু ভক্ত জড়ো হয়ে উল্লাসে মেতে ওঠেন। নাচ-গান আর পতাকা উড়িয়ে আনন্দে মেতে ওঠেন। সমর্থকদের মুখে শোনা যাচ্ছিল, "কানাডা, আমরা আসছি" স্লোগান।আরও পড়ুন:
উল্লেখ্য, শনিবার পরবর্তী রাউন্ডে কানাডার মুখোমুখি হবে মরক্কো। এর আগে ২০২২ বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্বে অ্যাটলাস লায়ন্সরা কানাডাকে ২-১ গোলে হারিয়েছিল। ৪ বছর আগে মরক্কো প্রথম আফ্রিকান দেশ হিসেবে সেমি ফাইনালে পৌঁছেছিল। ফলে চলতি বিশ্বকাপ ঘিরে আবার আশার আলো জেগেছে মরক্কোর সমর্থকদের মধ্যে।