পুবের কলম ওয়েব ডেস্কঃ সুপ্রিম কোর্টে ধাক্কা খেলেন ২০১৩ সালে এক নাবালিকাকে গণধর্ষণ মামলায় দোষী সাব্যস্ত স্বঘোষিত ধর্মগুরু আসারাম বাপু। শারীরিক অসুস্থতার কারণ দেখিয়ে তিনি সুপ্রিম কোর্টে অন্তর্বর্তীকালীন জামিন চেয়ে সুপ্রিম কোর্টে আবেদন জানিয়েছিলেন তিনি। তবে মঙ্গলবার সেই আর্জি খারিজ করে দেয় শীর্ষ আদালত।
আরও পড়ুন:
এই মামলায় রাজ্যের কাছেও জবাব তলব করেছে সুপ্রিম কোর্ট। শীর্ষ আদালতের মতে, জামিনের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে গেলে উভয়পক্ষের বক্তব্য শোনা প্রয়োজন।
বিচারপতি এমএম সুন্দ্রেশ এবং বিচারপতি শীল নাগুর ডিভিশন বেঞ্চ স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে, আবেদনকারীর সত্যিই জামিনের প্রয়োজন রয়েছে কি না তা খতিয়ে দেখা প্রয়োজন। আসারামের জীবনের ঝুঁকি রয়েছে কি না তা বিচার করা প্রয়োজন বলে মনে করছে শীর্ষ আদালত। এরজন্য রাজ্যকে তিন সপ্তাহের সময় দিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট।আরও পড়ুন:
প্রসঙ্গত, যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের সাজাপ্রাপ্ত আসামি হলেন আসারাম বাপু। তাঁর বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছিল ২০১৩ সালে।
যোধপুরের একটি আশ্রমে এক নাবালিকাকে ধর্ষণ করা হয় বলে অভিযোগ ওঠে আসারামের বিরুদ্ধে। তা নিয়ে মামলা গড়ায় আদালতে। সেই মামলায় আদালত আসারামকে দোষী সাব্যস্ত করে ২০১৮ সালে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেয় আদালত। পরে গান্ধীনগরের আশ্রমে আরও এক তরুণীকে একাধিক বার যৌন হেনস্থার অভিযোগ ওঠে। সেই মামলাতেও আসারাম দোষী সাব্যস্ত হন। ২০২৩ সালে ওই যাবজ্জীবন কারাদণ্ড হয় আসারামের। এরপর একাধিকবার জামিন চেয়ে আদালতের দ্বারস্থ হয়েছে আসারাম। শারীরিক অসুস্থতার কারণে ২০২৫-এর শুরুতে সুপ্রিম কোর্ট এক বার তাঁর অন্তর্বর্তী জামিন মঞ্জুর করেছিল। তার পরে গত অক্টোবর ও নভেম্বরে যথাক্রমে রাজস্থান এবং গুজরাট হাইকোর্টেও আসারামের জামিন মঞ্জুর হয়। তবী এবার জামিন মঞ্জুর হবে কি না তা আদালতের পরবর্তী নির্দেশের ওপর নিরভর করছে।