পুবের কলম ওয়েব ডেস্ক: প্রকাশ্য রাস্তায় এক তরুণীকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে খুনের অভিযোগ উঠল তাঁরই পরিচিত এক যুবকের বিরুদ্ধে। চাঞ্চল্যকর এই ঘটনাটি ঘটেছে উত্তর ২৪ পরগনা জেলার সোদপুরের ফিউচার গেট সংলগ্ন স্কুল রোড এলাকায়। তরুণীকে এলোপাতাড়ি কোপানোর পর ওই যুবক নিজের পেটেও ছুরি চালিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করেন বলে অভিযোগ। বুধবার সকালের এই রোমহর্ষক ঘটনায় গোটা এলাকায় ব্যাপক আতঙ্ক ছড়িয়েছে।
পুলিশ জানিয়েছে, মৃত তরুণী সোদপুরের নাটাগড় এলাকার মহেন্দ্রনগরের বাসিন্দা ছিলেন।
প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয় সূত্রে খবর, বুধবার সকালে রাস্তাতেই দু'জনের মধ্যে প্রবল অশান্তি শুরু হয়। বচসা চলাকালীন আচমকাই সুভাষ একটি ধারালো ছুরি বের করে গীতার ওপর ঝাঁপিয়ে পড়েন। প্রকাশ্য রাস্তায় একের পর এক কোপ মারায় তরুণী রক্তাক্ত অবস্থায় মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। তাঁকে ওই অবস্থায় দেখে আশেপাশের লোকজন বাঁচাতে ছুটে এলে, সুভাষ তাঁদের দিকেও ছুরি উঁচিয়ে তেড়ে যান। এরপর সবার সামনেই নিজের পেটে ওই ধারালো অস্ত্র ঢুকিয়ে দিয়ে মাটিতে লুটিয়ে পড়েন অভিযুক্ত সুভাষ।
ঘটনার খবর পেয়ে তড়িঘড়ি ঘটনাস্থলে পৌঁছয় খড়দহ থানার পুলিশ। দু'জনকেই রক্তাক্ত ও গুরুতর আহত অবস্থায় উদ্ধার করে সাগর দত্ত মেডিক্যাল কলেজে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে নিয়ে যাওয়ার পর কর্তব্যরত চিকিৎসকরা গীতাকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। অন্যদিকে, অভিযুক্ত সুভাষ বর্তমানে আশঙ্কাজনক অবস্থায় ওই হাসপাতালেই চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
পুলিশ ইতিমধ্যেই খুনে ব্যবহৃত অস্ত্রটি ঘটনাস্থল থেকে বাজেয়াপ্ত করেছে। প্রকাশ্য দিবালোকে এমন নৃশংস খুনের নেপথ্যে আর অন্য কোনও কারণ রয়েছে কি না, তা জানতে পুলিশ প্রত্যক্ষদর্শীদের বয়ান রেকর্ড করার পাশাপাশি এলাকার সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখে ঘটনার পূর্ণাঙ্গ তদন্ত শুরু করেছে।