মার্কিন সুদের হার আরও বৃদ্ধির আশঙ্কা এবং ডলারের দাম শক্তিশালী হওয়ায় বিশ্ববাজারে আবারও কমেছে স্বর্ণ ও রুপার দাম। একই সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের শান্তি আলোচনা নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হওয়ায় বিনিয়োগকারীদের মধ্যে দ্বিধা দেখা দিয়েছে। এর জেরে গত দুই সপ্তাহের মধ্যে সর্বনিম্ন পর্যায়ে নেমে এসেছে স্বর্ণের দর।

রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বুধবার স্পট মার্কেটে স্বর্ণের দাম ০.৭ শতাংশ কমে প্রতি আউন্স ৪,০৮১.২৪ ডলারে দাঁড়িয়েছে।

একই সময়ে মার্কিন স্বর্ণের ফিউচার দাম ১.২ শতাংশ কমে প্রতি আউন্স ৪,০৯৮.৭০ ডলারে নেমেছে, যা ১১ জুনের পর সর্বনিম্ন।

বিশ্লেষকদের মতে, উচ্চ মুদ্রাস্ফীতি এবং সুদের হার বৃদ্ধির সম্ভাবনায় ডলারের চাহিদা বেড়েছে। ফলে অনুৎপাদনশীল সম্পদ হিসেবে স্বর্ণের আকর্ষণ কমে যাচ্ছে। বর্তমানে ডলার এক বছরেরও বেশি সময়ের মধ্যে সবচেয়ে শক্তিশালী অবস্থানে রয়েছে, যার ফলে আন্তর্জাতিক বাজারে স্বর্ণ কেনা আরও ব্যয়বহুল হয়ে পড়েছে।

টেস্টিলাইভের গ্লোবাল ম্যাক্রো বিভাগের প্রধান ইলিয়া স্পিভাক বলেন, যুদ্ধ-পরবর্তী পরিস্থিতিতে স্বর্ণের ওপর চাপ আরও বেড়েছে। তিনি সতর্ক করে বলেন, স্বর্ণের দাম ৪ হাজার ডলারের নিচে নেমে গেলে তা ৩,৮০০ ডলার, এমনকি ৩,৫০০ ডলার পর্যন্তও নেমে যেতে পারে।

স্বর্ণের পাশাপাশি অন্যান্য মূল্যবান ধাতুর দামও কমেছে। স্পট মার্কেটে রুপার দাম ০.৪ শতাংশ কমে প্রতি আউন্স ৬১.৮০ ডলারে দাঁড়িয়েছে। এছাড়া প্ল্যাটিনাম ও প্যালাডিয়ামের দামও যথাক্রমে ০.৬ এবং ১.৩ শতাংশ কমেছে।