পুবের কলম,ওয়েবডেস্ক: মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে আলোচনা করেই যুদ্ধবিরতির পর গাজায় বড় আকারে বিমান হামলা চালিয়েছে ইসরাইল। হোয়াইট হাউস থেকে বিজ্ঞপ্তি জারি করে জানানো হয়েছে যে, ইসরাইল ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকায় ব্যাপক বিমান হামলা শুরুর আগে ট্রাম্পের পরামর্শ নিয়েছিল। বর্বর হামলায় নিহতের সংখ্যা হু হু করে বাড়ছে। সবশেষ ৪১৪ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে।
এদের মধ্যে অধিকাংশই নারী ও শিশু। নিহতদের মধ্যে গাজার উত্তরাঞ্চলের ১৫৪ জন রয়েছেন। যদিও অসমর্থিত সূত্রে খবর, মৃতের সংখ্যা ৫০০ অতিক্রম করেছে।আরও পড়ুন:
নিহত ও আহতদের সংখ্যা বাড়ছে
আরও পড়ুন:
ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে গাজার সিভিল ডিফেন্স দফতেরর মুখপাত্র মাহমুদ বাসাল জানিয়েছেন, গাজা উপত্যকার বিভিন্ন হাসপাতালে ৪০০-বেশি জনের মরদেহ আনা হয়েছে।
নিহতদের মধ্যে বেশিরভাগই নারী, শিশু ও বয়স্ক মানুষ। গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, হামলায় আহতদের অনেকের অবস্থা আশঙ্কাজনক, ফলে মৃত্যুর সংখ্যা আরও বাড়তে পারে।আরও পড়ুন:
গাজার বাস্তুচ্যুত মানুষদের জন্য পরিচালিত বিভিন্ন আশ্রয়কেন্দ্র ও ত্রাণ কার্যক্রম মারাত্মকভাবে ব্যাহত হয়েছে। রাষ্ট্রসংঘের মানবিক সহায়তা সংস্থা (ওসিএইচএ) জানিয়েছে, চলতি মাসের ২ মার্চ থেকে ইসরাইলের অবরোধের ফলে গাজা উপত্যকায় বিদ্যুৎ, পানি ও খাদ্যের সংকট চরম আকার ধারণ করেছে।
আরও পড়ুন:
ভয়াবহ এই হামলায় ব্যাপক প্রাণহানি ঘটেছে এবং নতুন করে মানবিক সংকটের সৃষ্টি হয়েছে গাজা উপতক্যায়। যুদ্ধবিরতি ব্যর্থ হওয়ায় এখন গাজায় উত্তেজনা আরও বাড়বে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।