সুমিত দে: ধর্ষণকাণ্ডে এমনিতেই উত্তাল হয়ে রয়েছে কালিয়াগঞ্জ। তারই মধ্যে ফের উদ্ধার হল যুবকের গুলিবিদ্ধ দেহ। মৃতের নাম মৃত্যুঞ্জয় বর্মণ। মৃত যুবক বিজেপির সক্রিয় কর্মী বলে দাবি ।
রায়গঞ্জের বিজেপি সাংসদ দেবশ্রী রায় চৌধুরী।

তাঁর অভিযোগ, গতকাল রাত দুটো নাগাদ কালিয়াগঞ্জ থানার পুলিশ ধরপাকড় শুরু করে। বিজেপি পঞ্চায়েত সমিতির সদস্য বিষ্ণু বর্মনের ভাইপো মৃত্যুঞ্জয় প্রতিবাদ করায়, তাঁকে লক্ষ্য করে গুলি চালায় পুলিশ। বছর তেত্রিশের মৃত্যুঞ্জয়ের বাড়ি রাধিকাপুর এলাকায়।

স্থানীয় গ্রামবাসীদের অভিযোগ, রাতে তিন গাড়ি পুলিশ এসে বিষ্ণু বর্মনকে হন্যে হয়ে খুঁজতে থাকে, তাঁকে না পেয়ে ওর বাবাকে তুলে নিয়ে যায়। মৃত ওই যুবক ঘটনার প্রতিবাদ করায় তাঁকে গুলি করেন।  অন্যদিকে কালিয়াগঞ্জে যুবকের গুলিবিদ্ধ দেহ উদ্ধারের ঘটনায় পুলিশকে নিশানা করলেন বিরোধী দল নেতা শুভেন্দু অধিকারী। পুলিশের বিরুদ্ধে খুনের অভিযোগ তুললেন বিরোধী দলনেতা।
পুলিশ নৃশংস ভাবে রাজবংশী যুবককে খুন করেছে বলে দাবি শুভেন্দুর।  এটা অত্যাচার ও রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাসের অন্যতম নিদর্শন। রাজ্য জ্বলছে, আর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ‘সম্রাট নিরোর’ মতো ভূমিকা পালন করছেন।

গতকালই  সাংবাদিক বৈঠকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কালিয়াগঞ্জের মানুষের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করেছেন। তার কিছুক্ষণের মধ্যেই পুলিশ তাঁর নির্দেশ পালন করেছে। এই নৃশংস হত্যার দায় তাঁকেই নিতে হবে, ট্যুইট বিরোধী দল নেতা শুভেন্দু অধিকারীর।