পুবের কলম, ওয়েবডেস্ক: ষষ্ঠ দফার ভোটের অশান্তির ঘটনা নিয়ে 'মেরুকরণ' এর খেলায় মাতল বিজেপি। সামাজিক মাধ্যমে ভিডিয়ো শেয়ার করে ‘লুঙ্গি ব্রিগেড’ শব্দ ব্যবহার বিতর্ক উস্কে দিল গেরুয়া শিবির। ওই ভিডিয়োকে ঘিরে তীব্র বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে।

উল্লেখ্য, ষষ্ঠ দফার ভোটের দিন সকাল থেকেই উত্তপ্ত হয়ে ওঠে ঘাটাল-সহ একাধিক কেন্দ্রের বিভিন্ন এলাকা। শনিবার সকালে কেশপুরে যাওয়ার পথে দফায় দফায় বাধার মুখে পড়তে হয় বিজেপি প্রার্থী হিরণ চট্টোপাধ্যায়কে। অভিযোগ, তাঁর গাড়ির সামনে শুয়ে বিক্ষোভ দেখান গ্রামবাসীরা।

রাস্তায় আগুন জ্বেলেও বিক্ষোভ দেখানো হয়। এই ঘটনা নিয়ে কেশপুরকে পাকিস্তানের সঙ্গে তুলনা করেন হিরণ। তৃণমূলকে বেনজির আক্রমণ করে তিনি বলেন, "কেশপুরকে মমতা পাকিস্তান করেছেন। আর সৌজন্যের প্রতীক দীপক অধিকারী লুঙ্গিবাহিনীর হাতে বাঁশ, লাঠি দিয়ে নামিয়েছেন আমাকে ঘেরাও করার জন্য। এই তো সৌজন্যের নজির! মুখে মিষ্টি কথা আর কাজে লুঙ্গিবাহিনীকে ব্যবহার।
লুঙ্গিবাহিনী তো গুটিয়ে লুঙ্গি পরে, ওদের লুঙ্গি খুলিয়ে সোজা করে পরাব।”

বিজেপি প্রার্থীর এই মন্তব্যের পরই মাঠে নামেন পদ্ম শিবিরের আইটি সেল প্রধান অমিত মালব্য। তিনি কেশপুরের ভিডিয়ো সামাজিক মাধ্যমে শেয়ার করে মেরুকরণের চেষ্টা করেন। ওই ভিডিয়োতে দেখা যাচ্ছে, একটি জায়গায় খড়ে আগুন জ্বলছে। তার সামনে লাঠি হাতে লাফাচ্ছেন এক ব্যক্তি।

তিনি লুঙ্গি পরে রয়েছেন। এপ্রসঙ্গে অমিত মালব্য লেখেন, ‘মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের লুঙ্গি ব্রিগেড পুরো শক্তি নিয়ে বেরিয়ে পড়েছে। কেশপুর, ঘাটালে বেরিয়ে পড়েছে। রাজ্য পুলিশ নীরব দর্শক। মনে হয় বাংলার হোম মিনিস্টারের নির্দেশে। কিন্তু মানুষ তৃণমূলের গুন্ডাদের আটকাচ্ছে। মানুষ দলে দলে ভোট দিতে বেরিয়ে আসছেন। সিএপিএফ সর্বত্র রয়েছে। রাজ্য পুলিশ কোথাও কোনও সহযোগিতা করছে না।'