ঢাকা, ২৭ ফেব্রুয়ারিঃ দ্রুত নির্বাচনের আহ্বান খালেদা জিয়ার। দীর্ঘ সাত বছর পর বৃহস্পতিবার বর্ধিত সভা করল বিএনপি। ঢাকায় জাতীয় সংসদ ভবনের এলডি হলসংলগ্ন মাঠে বেলা ১১টার দিকে সভা শুরু হয়। সারা দেশের প্রায় চার হাজার নেতা অংশ নিয়েছেন। দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে বর্ধিত সভায় ভার্চ্যুয়ালি যুক্ত হয়ে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া।
ভার্চ্যুয়ালি যুক্ত হয়ে সভাপতিত্ব করেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। তিনিও বক্তব্য দিয়েছেন।আরও পড়ুন:
গত ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর এই প্রথম এক ছাতার নিচে সব নেতাকে নিয়ে বর্ধিত সভা করছে বিএনপি। এদিন মূল মঞ্চে ছিলেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ও স্থায়ী কমিটির সদস্য খন্দকার মোশাররফ হোসেন, মির্জা আব্বাস, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, আবদুল মঈন খান,সেলিমা রহমান সহ অন্যান্যরা।
আরও পড়ুন:
পবিত্র কুরআন তিলাওয়াতের মধ্য দিয়ে সভা শুরু হয়।
এরপর এক মিনিট দাঁড়িয়ে নীরবতা পালনের জন্য শোক প্রস্তাব পাঠ করেন দলের জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী। ‘সুদৃঢ় ঐক্যই রুখে দিতে পারে সকল ষড়যন্ত্র’ স্লোগানকে প্রতিপাদ্য করে এবারের বর্ধিত সভা করছে বিএনপি। বিএনপি নিজেদের ৩১ দফা সংস্কার কর্মসূচি সামনে রেখে আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনমুখী যাত্রা শুরুর লক্ষ্য স্থির করেছে।আরও পড়ুন:
এদিনের সভায় খালেদা জিয়া বলেন, ‘আমাদের সবাইকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে। এখনো ফ্যাসিস্টদের দোসরেরা চক্রান্তে লিপ্ত।
আসুন, গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ বিনির্মাণের জন্য আমাদের সর্বশক্তি নিয়োগ করি। দেশ আজ এক সংকটময় সময় অতিক্রম করছে। আপনাদের ও ছাত্রদের সমন্বিত আন্দোলনের ফলে ফ্যাসিস্ট শাসকেরা বিদায় নিয়েছে।আরও পড়ুন:
একটা অন্তর্বর্তী সরকার গঠিত হয়েছে। তাদের কাছে জনগণের প্রত্যাশা, রাষ্ট্র মেরামতের ন্যূনতম সংস্কার দ্রুত সম্পন্ন করে গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় ফিরে যাওয়ার জন্য সকলের কাছে গ্রহণযোগ্য একটি নির্বাচন অনুষ্ঠান করা। এমন কোনো কাজ করবেন না যাতে করে আপনাদের এত দিনের সংগ্রাম, আত্মত্যাগ বিফলে যায়।’