চলমান ফুটবল বিশ্বকাপের ইরান-নিউজিল্যান্ড ম্যাচে গ্যালারিজুড়ে ফিলিস্তিনের পতাকা উড়তে দেখা গেছে। একই সময়ে এক দর্শকের হাতে থাকা ইসরাইলি পতাকাটি নিরাপত্তার স্বার্থে সরিয়ে দেন মাঠের নিরাপত্তাকর্মীরা।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিওতে দেখা যায়, ইসরাইলি পতাকা সরিয়ে দেওয়ার সময় সংশ্লিষ্ট দর্শক ক্ষোভ প্রকাশ করেন এবং ফিলিস্তিনের পতাকার দিকে ইঙ্গিত করে আপত্তি জানান।

নিরাপত্তাকর্মীরা তাঁকে জানান, ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশ এবং নিরাপত্তাজনিত কারণেই পতাকাটি সরিয়ে নেওয়া হচ্ছে।
বৃহস্পতিবার জেরুসালেম টাইমসের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, অংশগ্রহণকারী দলগুলোর বাইরে অন্য দেশের পতাকা প্রদর্শনের ক্ষেত্রে বিধিনিষেধের কথা উল্লেখ করা হলেও, গ্যালারির বিভিন্ন অংশে ফিলিস্তিনের পতাকা দৃশ্যমান ছিল।

ফলে বিশ্বজুড়ে ফিলিস্তিনিদের প্রতি সংহতির বার্তা আরও স্পষ্ট হয়ে ওঠে।

বিশ্বকাপ শুরুর আগে কানাডার টরন্টোয় অনুষ্ঠিত এক বিক্ষোভ কর্মসূচিতেও ফিফার কাছে ইসরাইলি ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি ওঠে। বিক্ষোভকারীদের হাতে ‘ফিফা থেকে ইসরাইলকে সরাও’ লেখা ব্যানার দেখা যায়। ফিলিস্তিনি প্রতিনিধি ও মানবাধিকারকর্মীদের একাংশও এ বিষয়ে ফিফার উপর চাপ অব্যাহত রেখেছেন।

বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, পরিস্থিতি শান্ত করতে আগামী সেপ্টেম্বরে যুক্তরাষ্ট্রে আয়োজিত একটি অনূর্ধ্ব-১৫ ফুটবল উৎসবে ইসরাইল ও ফিলিস্তিনের মধ্যে একটি প্রতীকী প্রীতি ম্যাচ আয়োজনের বিষয়টি বিবেচনা করছে ফিফা।
মধ্যপ্রাচ্যের চলমান পরিস্থিতির প্রভাব যে ফুটবল বিশ্বকাপের গ্যালারিতেও পৌঁছেছে, এই ঘটনাপ্রবাহে তারই প্রতিফলন দেখা যাচ্ছে।