২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, সোমবার, ১০ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

প্রয়াত মুকুল রায়

 

প্রবীণ রাজনীতিবিদ মুকুল রায় রবিবার গভীর রাতে কলকাতার বাইপাস সংলগ্ন একটি বেসরকারি হাসপাতালে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেছেন। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৭১ বছর। দীর্ঘদিন ধরে কিডনি-সহ একাধিক শারীরিক জটিলতায় ভুগছিলেন তিনি এবং মাঝেমধ্যেই হাসপাতালে ভর্তি হতে হচ্ছিল। চিকিৎসাধীন অবস্থায় হৃদ্‌রোগে আক্রান্ত হয়ে তাঁর মৃত্যু হয়। তাঁর প্রয়াণের খবরে রাজনৈতিক মহলে নেমে এসেছে গভীর শোকের ছায়া।
মৃত্যুসংবাদ ছড়িয়ে পড়তেই তাঁর বাড়ির সামনে ভিড় জমান দলীয় নেতা-কর্মী ও সমর্থকেরা। হাসপাতাল থেকে মরদেহ কাঁচরাপাড়ার বাড়িতে নিয়ে যাওয়ার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে বলে জানা গেছে।
রাজনৈতিক জীবনে একাধিক উত্থান-পতনের সাক্ষী ছিলেন মুকুল রায়। অল ইন্ডিয়া তৃণমূল কংগ্রেস-এর প্রতিষ্ঠাতা সদস্য হিসেবে সংগঠন গড়ে তোলায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন তিনি। পরে ভারতীয় জনতা পার্টি-তে যোগ দিয়ে ২০২১ সালে কৃষ্ণনগর উত্তর কেন্দ্র থেকে বিধায়ক নির্বাচিত হন। পরবর্তীতে আবার তৃণমূলে ফিরে এলেও বিধায়ক পদ থেকে ইস্তফা দেননি এবং পাবলিক অ্যাকাউন্টস কমিটির চেয়ারম্যানের দায়িত্বও সামলান। তাঁর বিধায়কপদ খারিজ নিয়ে আইনি লড়াই কলকাতা হাই কোর্ট ও ভারতের সুপ্রিম কোর্ট পর্যন্ত গড়ায়।
রাজনীতিতে তাঁর সূচনা হয়েছিল ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেস-এর হাত ধরে। পরে কেন্দ্রীয় রাজনীতিতেও সক্রিয় থেকে রাজ্যসভা সদস্য হন এবং কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভায় গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেন। দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে সংগঠক ও কৌশলবিদ হিসেবে তাঁর দক্ষতার জন্যই তিনি ‘বঙ্গ রাজনীতির চাণক্য’ নামে পরিচিত ছিলেন।

ট্যাগ :
সর্বধিক পাঠিত

প্রয়াত মুকুল রায়

Copyright © Puber Kalom All rights reserved.| Developed by eTech Builder

প্রয়াত মুকুল রায়

আপডেট : ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, সোমবার

 

প্রবীণ রাজনীতিবিদ মুকুল রায় রবিবার গভীর রাতে কলকাতার বাইপাস সংলগ্ন একটি বেসরকারি হাসপাতালে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেছেন। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৭১ বছর। দীর্ঘদিন ধরে কিডনি-সহ একাধিক শারীরিক জটিলতায় ভুগছিলেন তিনি এবং মাঝেমধ্যেই হাসপাতালে ভর্তি হতে হচ্ছিল। চিকিৎসাধীন অবস্থায় হৃদ্‌রোগে আক্রান্ত হয়ে তাঁর মৃত্যু হয়। তাঁর প্রয়াণের খবরে রাজনৈতিক মহলে নেমে এসেছে গভীর শোকের ছায়া।
মৃত্যুসংবাদ ছড়িয়ে পড়তেই তাঁর বাড়ির সামনে ভিড় জমান দলীয় নেতা-কর্মী ও সমর্থকেরা। হাসপাতাল থেকে মরদেহ কাঁচরাপাড়ার বাড়িতে নিয়ে যাওয়ার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে বলে জানা গেছে।
রাজনৈতিক জীবনে একাধিক উত্থান-পতনের সাক্ষী ছিলেন মুকুল রায়। অল ইন্ডিয়া তৃণমূল কংগ্রেস-এর প্রতিষ্ঠাতা সদস্য হিসেবে সংগঠন গড়ে তোলায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন তিনি। পরে ভারতীয় জনতা পার্টি-তে যোগ দিয়ে ২০২১ সালে কৃষ্ণনগর উত্তর কেন্দ্র থেকে বিধায়ক নির্বাচিত হন। পরবর্তীতে আবার তৃণমূলে ফিরে এলেও বিধায়ক পদ থেকে ইস্তফা দেননি এবং পাবলিক অ্যাকাউন্টস কমিটির চেয়ারম্যানের দায়িত্বও সামলান। তাঁর বিধায়কপদ খারিজ নিয়ে আইনি লড়াই কলকাতা হাই কোর্ট ও ভারতের সুপ্রিম কোর্ট পর্যন্ত গড়ায়।
রাজনীতিতে তাঁর সূচনা হয়েছিল ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেস-এর হাত ধরে। পরে কেন্দ্রীয় রাজনীতিতেও সক্রিয় থেকে রাজ্যসভা সদস্য হন এবং কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভায় গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেন। দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে সংগঠক ও কৌশলবিদ হিসেবে তাঁর দক্ষতার জন্যই তিনি ‘বঙ্গ রাজনীতির চাণক্য’ নামে পরিচিত ছিলেন।