মানবিকতার খাতিরে বীরভূমের সোনালি বিবিকে দেশে ফেরাতে রাজি হয়েছে কেন্দ্রীয় সরকার। বুধবার সুপ্রিম কোর্টে এই মর্মে জানালেন সলিসিটর জেনারেল তুষার মেহতা। তিনি জানান, সরকারি নিয়ম মেনেই সোনালির প্রত্যাবর্তনের প্রক্রিয়া শুরু করবে কেন্দ্র।
বাংলাদেশের আদালত ইতিমধ্যেই সোনালি বিবিকে মুক্তি দিয়েছেন। তবে মুক্তি পেলেও তিনি এখনও ওই দেশেই অবস্থান করছেন। ফলে জোর জল্পনা,আজ, বুধবারই কি সীমান্ত পেরিয়ে নিজের বাড়িতে ফিরতে পারবেন বীরভূমের সোনালি?
সরকারি ও আইনগত প্রক্রিয়া দ্রুত এগোনোর ইঙ্গিত মিলেছে। ফলে স্বস্তির হাওয়া সোনালির পরিবার ও এলাকাবাসীর মধ্যে। এখন সকলের চোখ সীমান্তে, কবে নিজের মাটিতে পা রাখবেন সোনালি বিবি, সেই অপেক্ষায় সকলেই।
এদিকে রাজ্য সভার সাংসদ সামিরুল ইসলাম ফেসবুকে জানিয়েছেন,’আমি অনুরোধ করছি সবাই যেন বাংলাদেশের আদালতের জারি করা আদেশটি পড়েন, যেখানে স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে যে সোনালি খাতুন এবং আরও পাঁচজনকে ভারত–বাংলাদেশ সীমান্ত দিয়ে জোরপূর্বক বাংলাদেশে পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছিল। আদালত গতকাল গর্ভবতী সোনালি খাতুনসহ সকলকে জামিন মঞ্জুর করেছে। বর্তমানে তাঁরা বাংলাদেশের নিরাপদ হেফাজতে আছেন এবং দেশে ফেরার অপেক্ষায় রয়েছেন।”
তিনি আরো জানান,ভারতের সুপ্রিম কোর্টে এই সংক্রান্ত শুনানি রয়েছে, যাঁরা ইতিমধ্যেই সুনালি খাতুন ও তাঁর ছেলেকে দেশে ফিরিয়ে আনার নির্দেশ দিয়েছেন। পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং তৃণমূল কংগ্রেসের জাতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে বাংলাদেশে অবৈধভাবে নির্বাসিত সমস্ত নির্দোষ মানুষকে তাঁদের মাতৃভূমিতে ফিরিয়ে আনার লড়াই চলতেই থাকবে, যতদিন না তাঁরা দেশে ফিরে আসেন।
এই লড়াই বাংলা-বিরোধী জমিদারদের বিরুদ্ধে লড়াই।






























