পুবের কলম, ওয়েবডেস্ক: প্রয়াত প্রাক্তন সোভিয়েত নেতা ইউনিয়নের প্রথম ও শেষ প্রেসিডেন্ট মিখাইল গর্বাচেভ। মৃত্যুকালে বয়স হয়েছিল ৯১ বছর। সোভিয়েত ইউনিয়নের প্রথম এবং শেষ প্রেসিডেন্ট গর্বাচভের মৃত্যুর খবর জানিয়েছে মস্কো। বয়সজনিত অসুখ ও কিডনির সমস্যায় ভুগছিলেন তিনি। বুধবার সেন্ট্রাল ক্লিনিক্যাল হাসপাতালে মৃত্যু হয় শান্তিতে নোবেলজয়ীর।
তাঁর মৃত্যুতে শোকপ্রকাশ করেছেন রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন, শোকবার্তা দিয়েছে রাষ্ট্রপুঞ্জ।আরও পড়ুন:
রাষ্ট্রপুঞ্জর মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস গর্বাচভের মৃত্যুতে শোকপ্রকাশ করে বিবৃতি দিয়েছেন। তাঁর কথায়, ‘‘এক জন শক্তিশালী নেতা। যিনি শান্তির জন্য অক্লান্তভাবে কাজ করে গিয়েছেন।’’
আরও পড়ুন:
রাশিয়ার দক্ষিণাঞ্চলের দারিদ্র্যপীড়িত স্তাভরোপোল অঞ্চলে ১৯৩১ সালের ২ মার্চ মিখাইল গর্বাচেভের একসময় বিশ শতকের পৃথিবীর অন্যতম প্রভাবশালী রাজনীতিবিদে পরিণত হন।
১৯৮৪ সালে ৫৩ বছর বয়সে কমিউনিস্ট পার্টির জেনারেল সেক্রেটারি হন গর্বাচেভ। ১৯৮৫ সালে সোভিয়েত নেতা কনস্তানতিন চের্নেনকোর মৃত্যুর পর গর্বাচেভ পার্টির সাধারণ সম্পাদক হন, তখন তার বয়স ৫৪ বছর। তিনিই সবচেয়ে কম বয়সে সোভিয়েত ইউনিয়নের নেতৃত্বে এসেছিলেন। আবার এই সোভিয়েত নেতার সময়েই মধ্য ও পূর্ব ইউরোপ জুড়ে কমিউনিজমের পতন ঘটেছিল। লক্ষ লক্ষ সোভিয়েত নাগরিকের কাছে তিনি স্বাধীনতা প্রদানকারী ত্রাণকর্তা হিসাবে পরিচিত ছিলেন। আবার দেশের পরবর্তী বিশৃঙ্খল অবস্থার জন্য সমালোচিত হতে হয়েছে তাকে।আরও পড়ুন:
সোভিয়েত পতনের পর নিজেও ক্ষমতা হারান গর্বাচেভ। ১৯৯৯ সালে স্ত্রী রাইসা গর্বাচেভের মৃত্যুতে অনেকটাই ভেঙে পড়েন তিনি।
আরও পড়ুন:
রাশিয়ার বর্তমান প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের এক সময় কড়া সমালোচক ছিলেন গর্বাচেভ। তবে ২০১৪ সালে পুতিনের নির্দেশে যখন ক্রিমিয়া দখল করে রাশিয়া, তখন তার পক্ষেই ছিলেন তিনি। গত বছর গর্বাচভের ৯০তম জন্মদিনে গর্বাচেভের প্রশংসা করেন পুতিন।
আরও পড়ুন: