পুবের কলম প্রতিবেদক: বাবুঘাটের বাজে কদমতলায় শুরু হয়েছে গঙ্গা আরতি। এই গঙ্গা আরতিকে কেন্দ্র করে বাবুঘাটকে আন্তর্জাতিক পর্যটন কেন্দ্র গড়ার পরিকল্পনা নিয়েছে রাজ্য সরকার। সেই অনুযায়ী, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দপাধ্যায়ের ইচ্ছায় টেমস নদীর তীরের সৌন্দর্যায়ন এবং বেনারসের গঙ্গা আরতির ভঙ্গি দিয়ে সাজিয়ে তোলা হয়েছিল বাজে কদমতলা ঘাটকে। যা দেখতে ইতিমধ্যেই লোকসমাগম শুরু হয়েছে। তবে এই ভিড়ই এবার বিপত্তির কারণ হয়ে দাঁড়াচ্ছে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে ভারতীয় সেনার পক্ষ থেকে কলকাতা পুরসভার কমিশনারকে চিঠি পাঠানো হবে বলে খবর।
আরও পড়ুন:
শুরু থেকেই একের পর এক বিতর্ক চলেছে বাজে কদমতলা ঘাটের গঙ্গা আরতিকে কেন্দ্র করে। পরবর্তীতে আরতি শুরু হওয়ার পর সমস্যা আরও বেড়েছে। সোমবার সেই সমস্যার সমাধান খুঁজতে বাজে কদমতলা ঘাটে ভারতীয় সেনার নেতৃত্বে একটি যৌথ বৈঠক হয়।
আরও পড়ুন:
বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন, কলকাতা পুরসভার আধিকারিক, পরিবহন দফতরের আধিকারিক, রেল আধিকারিক সহ কলকাতা পুলিশের উচ্চপদস্থ আধিকারিকরা।
আরও পড়ুন:
বাবুঘাট চত্বর যেহেতু সেনার আওতায়, তাই সেখানে কিছু করার হলে সেনার অনুমতি নিতে হয়। তবে এক্ষেত্রে তা মানা হয়নি বলেই সূত্রের খবর।
আরও পড়ুন:
জানা গিয়েছে, বাজে কদমতলা ঘাটে মন্দির নির্মাণের জন্য সেনার অনুমতি নেওয়া হয়নি। এদিকে সেখানে মন্দির ও গঙ্গা আরতিকে কেন্দ্র করে উৎসুক জনতার ভিড় যেহারে শুরু হয়েছে তাতে যেকোনও সময় দুর্ঘটনা ঘটতে পারে। সেক্ষেত্রে দায় চাপবে সেনার ঘাড়ে।
আরও পড়ুন:
এছাড়াও বাবুঘাটকে কেন্দ্র করে একাধিক বেনিয়ম তৈরি হয়ে রয়েছে। ফলত, স্বাভাবিক ভাবে এই ঘটনায় ক্ষুদ্ধ সেনা আধিকারিকের ভর্ৎসনার পড়তে হয় তিন সংস্থাকে। সূত্রের খবর, গঙ্গা আরতি কার উদ্যোগে শুরু হয়েছে, সেনা আধিকারিকের এই প্রশ্নের উত্তরে একে ওপরের ওপর দায় চাপাতে থাকেন কলকাতা পুরসভা ও পরিবহন দফতরের আধিকারিকেরা।
গঙ্গা আরতিতে ক্রমশ ভিড় বাড়ছে। সেই প্রসঙ্গে সেনার তরফে জানতে চাওয়া হয়, যখন ‘মা গঙ্গা’ সাক্ষাৎ রয়েছেন সেখানে গঙ্গা মন্দির তৈরি করার কি প্রয়োজনীয়তা! তা নিয়েও কোনও সদুত্তর দিতে পারেননি পুরসভার আধিকারিকেরা।আরও পড়ুন:
অন্যদিকে, বাজেকদমতলা ঘাটে যে বাস স্ট্যান্ড রয়েছে, সেনার তরফে তা দীর্ঘদিন সরাতে বলার পরেও কাজের কাজ কিছু হয়নি। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করেও এদিন পরিবহন দফতরের আধিকারিকদের তীব্র ভর্ৎসনার করেন সেনা আধিকারিক।
আরও পড়ুন:
পাশাপাশি এদিন, রেলকে শৌচালয় বানাতে বলা হয়েছে সেনার তরফে। একইসঙ্গে গঙ্গা আরটিকে কেন্দ্র করে যেভাবে ভিড় বাড়ছে তাতে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বলা হয়েছে রেলকে। সেক্ষেত্রে রেল গেটের নিরাপত্তা বাড়াতে বলা হয়েছে।
আরও পড়ুন: