পুবের কলম ওয়েবডেস্কঃ আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে আরও সক্রিয় হয়ে উঠল তৃণমূল কংগ্রেস। এবার প্রতিটি বিধানসভায় নির্বাচন কমিটি গঠন করল শাসক দল। ভোটের এগে মূলত গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব রুখতেই এমন পদক্ষেপ বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল। যদিও গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের কথা মানতে নারাজ তৃণমূল নেতৃত্ব। রবিবার দলের তরফে নির্বাচন কমিটির সদস্যদের নাম ঘোষণা করা হয়।

 

হাওড়া জেলা সাঁকরাইল বিধানসভার কমিটিতে রাখা হয়েছে ১০ জন সদস্য।  উলুবেড়িয়া পূর্বকেন্দ্রে ৩০, উলুবেড়িয়া উত্তর কেন্দ্রের কমিটিতে ২২ এবং শ্যামপুর কেন্দ্রের কমিটিতে ২১ জন সদস্য রাখা হয়েছে। আমতার কমিটিতে রয়েছেন ১৪ জন সদস্য। এদিকে, বনগাঁ সাংগঠনিক জেলার অন্তর্গত বনগাঁ দক্ষিণ বিধানসভা কেন্দ্রের কমিটিতে ১৭ জন, গাইঘাটা বিধানসভার কমিটিতে ১৪ জন, স্বরূপনগর বিধানসভা কেন্দ্রের কমিটিতে ২৬ নেতাকে নির্বাচন কমিটির সদস্য করা হয়েছে। উত্তর ২৪ পরগনার হাবরা বিধানসভা কেন্দ্রে বিধানসভা নির্বাচন কমিটির সদস্য করা হয়েছে ৩৩ জনকে, বারাসতে রয়েছেন ২১ জন, নৈহাটিতে ১৭ জন, ভাটপাড়ায় ১৮ জন, জগদ্দলে রয়েছেন ২৪ জন।

এছাড়াও, নোয়াপাড়ায় ২০ জন, ব্যারাকপুরে রয়েছেন ১৮ জন, খড়দহের কমিটিতে আছেন ৩৯ জন এবং পানিহাটিতে ২৭ জনকে রাখা হয়েছে কমিটিতে। অন্যদিকে, পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার কেশিয়াড়িতে ২১ জন, নারায়ণগড়ে ২৫ জন, মেদিনীপুরে কমিটিতে থাকছেন ২৭ জন। 

 একইভাবে বাঁকুড়া জেলার শালতোড়ার কমিটিতে ২৯ জন, ছাতনার কমিটিতে ২০ জন, রানিবাঁধ কমিটিতে ৩৬ জন, রায়পুর কমিটিতে ২৯ জন থাকছেন। বীরভূমের সিউড়ির কমিটিতে ১৭ জন, বোলপুর কমিটিতে ১১ জন, লাভপুর কমিটিতে ৯ জন, ময়ূরেশ্বরের কমিটিতে ৪৬ জন, রামপুরহাটের কমিটিতে ৫২ জন সদস্য রয়েছেন। রানাঘাট লোকসভার অধীনে নবদ্বীপ, শান্তিপুর, রানাঘাট উত্তর পশ্চিম, কৃষ্ণগঞ্জ, চাকদা ও কল্যাণী কমিটিতে যথাক্রমে রয়েছেন ১৬, ১৯, ৯, ৩১, ১১, ১৬ এবং ১৩ জন সদস্য। কমিটি গঠন নিয়ে তৃণমূলের রাজ্য সংগঠনের সহ সভাপতি জয়প্রকাশ মজুমদার বলেন, বিধানসভায় ভোট প্রক্রিয়া মসৃণ করতেই এই কমিটি গঠন করা হয়েছে।