০৭ মার্চ ২০২৬, শনিবার, ২২ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

কাবুলে মার্কিন ‘ড্রোন হামলা অমার্জনীয়’, ক্ষতিপূরণ দাবি অ্যামনেস্টির

পুবের কলম, ওয়েবডেস্কঃ কাবুলে মার্কিন ড্রোন হামলাকে ‘অমার্জনীয় অপরাধ’বলে উল্লেখ করেছে মানবাধিকার সংগঠন অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল। হামলায় নিহত আফগান পরিবারের সদস্যদের দ্রুত ক্ষতিপূরণ দেওয়ারও দাবি করেছে অ্যামনেস্টি। সংগঠনটি জানায়, আমেরিকা এ কথা মেনে নিয়েছে যে, তারাই নাগরিক আবাসনে বোমা ফেলে নিরীহদের হত্যা করেছে, এখন তাদের উচিত এই মামলার তদন্ত করা এবং অপরাধীদের খুঁজে তাদের বিচার করা। অ্যামনেস্টি জানায়, নিরীহ আফগানদের হত্যা করার কথা স্বীকার করে ক্ষমা চাইলে চলবে না, নিহতদের পরিবারের সদস্যদের ক্ষতিপূরণ দিতে হবে আমেরিকাকেই।

উল্লেখ্য, কাবুল বিমানবন্দরে উদ্ধার অভিযান চলাকালীন পার্শ্ববর্তী এলাকায় ড্রোন হামলা চালিয়ে ৭ শিশু-সহ একই পরিবারের ৯ জনকে হত্যা করে আমেরিকা। প্রথমে ওয়াশিংটন একে সন্ত্রাস বিরোধী অভিযান বলে জানালেও পরে এক তদন্তে উঠে আসে আসল খবর। এ দিকে কাবুলে ড্রোন হামলা নিয়ে আরও এক চাঞ্চল্যকর রিপোর্ট পেশ করেছে সিএনএন। মার্কিন টেলিভিশন নিউজ চ্যানেলের দাবি, মার্কিন সেনারা সম্প্রতি কাবুল বিমানবন্দরের যে দশ সদস্যকে হত্যা করেছে তা জেনেশুনেই করেছে! অসামরিক ওই আফগান পরিবারের ওপর ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালানোর কিছুক্ষণ আগেই মার্কিন সেনা নাকি জানতে পেরেছিল যে, সেখানে শিশুরা রয়েছে এবং সকলেই সাধারণ নাগরিক। মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী ও কমান্ডাররা এই অপরাধযজ্ঞের কথা স্বীকার করার পর কেবল এক সাদামাটা দুঃখ প্রকাশের মাধ্যমেই ঘটনার ব্যাপারে তাদের দায়দায়িত্ব শেষ করেছে। এ বিষয়ে বিচার বা পদত্যাগের কথা তারা ভাবছে না। এ ধরনের ঘটনার যে পুনরাবৃত্তি করা হবে না, সে প্রতিশ্রুতিও তারা দেয়নি।

সর্বধিক পাঠিত

হরমুজ প্রণালী খোলা, তবে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও তার মিত্রদের জন্য নয় : ইরান

Copyright © Puber Kalom All rights reserved.| Developed by eTech Builder

কাবুলে মার্কিন ‘ড্রোন হামলা অমার্জনীয়’, ক্ষতিপূরণ দাবি অ্যামনেস্টির

আপডেট : ২১ সেপ্টেম্বর ২০২১, মঙ্গলবার

পুবের কলম, ওয়েবডেস্কঃ কাবুলে মার্কিন ড্রোন হামলাকে ‘অমার্জনীয় অপরাধ’বলে উল্লেখ করেছে মানবাধিকার সংগঠন অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল। হামলায় নিহত আফগান পরিবারের সদস্যদের দ্রুত ক্ষতিপূরণ দেওয়ারও দাবি করেছে অ্যামনেস্টি। সংগঠনটি জানায়, আমেরিকা এ কথা মেনে নিয়েছে যে, তারাই নাগরিক আবাসনে বোমা ফেলে নিরীহদের হত্যা করেছে, এখন তাদের উচিত এই মামলার তদন্ত করা এবং অপরাধীদের খুঁজে তাদের বিচার করা। অ্যামনেস্টি জানায়, নিরীহ আফগানদের হত্যা করার কথা স্বীকার করে ক্ষমা চাইলে চলবে না, নিহতদের পরিবারের সদস্যদের ক্ষতিপূরণ দিতে হবে আমেরিকাকেই।

উল্লেখ্য, কাবুল বিমানবন্দরে উদ্ধার অভিযান চলাকালীন পার্শ্ববর্তী এলাকায় ড্রোন হামলা চালিয়ে ৭ শিশু-সহ একই পরিবারের ৯ জনকে হত্যা করে আমেরিকা। প্রথমে ওয়াশিংটন একে সন্ত্রাস বিরোধী অভিযান বলে জানালেও পরে এক তদন্তে উঠে আসে আসল খবর। এ দিকে কাবুলে ড্রোন হামলা নিয়ে আরও এক চাঞ্চল্যকর রিপোর্ট পেশ করেছে সিএনএন। মার্কিন টেলিভিশন নিউজ চ্যানেলের দাবি, মার্কিন সেনারা সম্প্রতি কাবুল বিমানবন্দরের যে দশ সদস্যকে হত্যা করেছে তা জেনেশুনেই করেছে! অসামরিক ওই আফগান পরিবারের ওপর ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালানোর কিছুক্ষণ আগেই মার্কিন সেনা নাকি জানতে পেরেছিল যে, সেখানে শিশুরা রয়েছে এবং সকলেই সাধারণ নাগরিক। মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী ও কমান্ডাররা এই অপরাধযজ্ঞের কথা স্বীকার করার পর কেবল এক সাদামাটা দুঃখ প্রকাশের মাধ্যমেই ঘটনার ব্যাপারে তাদের দায়দায়িত্ব শেষ করেছে। এ বিষয়ে বিচার বা পদত্যাগের কথা তারা ভাবছে না। এ ধরনের ঘটনার যে পুনরাবৃত্তি করা হবে না, সে প্রতিশ্রুতিও তারা দেয়নি।