কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগকে আন্দোলনের বড় জয় হিসেবে দাবি করল ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি)। দলের প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকে এই ঘটনাকে “গণতন্ত্রের জয়” আখ্যা দিয়ে বলেন, দেশের ছাত্র-যুবদের ঐক্যবদ্ধ আন্দোলনের ফলেই সরকার এই সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য হয়েছে।
আরও পড়ুন:
শনিবার ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের খবর যন্তর মন্তরে পৌঁছাতেই উচ্ছ্বাসে ফেটে পড়েন আন্দোলনকারীরা। স্লোগান, করতালি ও উল্লাসে মুখর হয়ে ওঠে আন্দোলনস্থল। দীর্ঘদিনের আন্দোলনের পর এই সাফল্যে অনেকের চোখে আনন্দাশ্রুও দেখা যায়।
মঞ্চে বক্তব্য রাখতে গিয়ে আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন অভিজিৎ দীপকেও।আরও পড়ুন:
তিনি বলেন, “ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগ প্রমাণ করে, মানুষ যদি ভয় না পায় এবং সরকারের সামনে মাথা নত না করে, তাহলে গণআন্দোলনের শক্তিতে যে কোনও ক্ষমতাবানকেও জবাবদিহি করতে বাধ্য করা যায়।”
আরও পড়ুন:
নিট প্রশ্নফাঁস ও শিক্ষাক্ষেত্রে দুর্নীতির অভিযোগ সামনে আসার পর থেকেই ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের দাবিতে আন্দোলন চালিয়ে আসছিল সিজেপি। কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জে.পি. নাড্ডার সঙ্গে হওয়া আগের দুই দফা বৈঠকেও একই দাবিতে অনড় ছিল সংগঠনটি।
আরও পড়ুন:
শনিবার কেন্দ্রের সঙ্গে তৃতীয় দফার আলোচনার আগে সিজেপির পক্ষ থেকে স্পষ্ট জানানো হয়েছিল, ধর্মেন্দ্র প্রধান পদে বহাল থাকলে আলোচনার আর কোনও অর্থ নেই। সেই অবস্থানের কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের খবর সামনে আসে।