বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতির পদ থেকে পদত্যাগ করেছেন মো. সাহাবুদ্দিন। শুক্রবা বিকেলে তিনি জাতীয় সংসদ সচিবালয়ে নিজের পদত্যাগপত্র জমা দেন। এ বিষয়ে বিকেল ৫টায় সংবাদ সম্মেলন করার কথা রয়েছে জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের।
আরও পড়ুন:
বাংলাদেশের সংবিধান অনুযায়ী, নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত না হওয়া পর্যন্ত স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করবেন।
একই সঙ্গে রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হওয়ার ৯০ দিনের মধ্যে জাতীয় সংসদকে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচন করতে হবে।আরও পড়ুন:
২০২৪ সালের ৫ আগস্টের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর থেকেই মো. সাহাবুদ্দিনের পদত্যাগের দাবি জোরালো হয়ে ওঠে। সম্প্রতি অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনে রাষ্ট্রপতির প্রারম্ভিক ভাষণের সময় বিরোধী দলের সংসদ সদস্যরাও তাঁর বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানান।
আরও পড়ুন:
মো. সাহাবুদ্দিন ২০২৩ সালের ২৪ এপ্রিল বাংলাদেশের ২২তম রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন।
স্বাভাবিক নিয়মে ২০২৮ সালের এপ্রিল পর্যন্ত তাঁর পাঁচ বছরের মেয়াদ থাকার কথা ছিল। তবে মেয়াদ শেষ হওয়ার আগেই তিনি পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নিলেন।রাষ্ট্রপতি হিসেবে তাঁর দায়িত্বকাল বাংলাদেশের সাম্প্রতিক ইতিহাসের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সময় হিসেবে বিবেচিত। এই সময়েই আওয়ামী লীগ সরকারের পতন, অন্তর্বর্তী সরকারের দায়িত্ব গ্রহণ এবং ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। পাশাপাশি, বাংলাদেশের ইতিহাসে প্রথম রাষ্ট্রপতি হিসেবে স্বল্প সময়ের ব্যবধানে তিনজন ভিন্ন সরকারপ্রধানকে শপথবাক্য পাঠ করানোর নজিরও গড়েন তিনি।