০৭ মার্চ ২০২৬, শনিবার, ২২ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

গুজরাতের মুখ্যমন্ত্রীর পদ থেকে ইস্তফা বিজয় রূপানির

পুবের কলম, ওয়েবডেস্কঃ ইস্তফা দিলেন গুজরাতের মুখ্যমন্ত্রী বিজয় রূপানি। শনিবার এই পদ থেকে ইস্তফা দেন তিনি। ইস্তফা দেওয়ার পর বিজয় রূপানি বলেন, ‘ এতদিন মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে সমস্ত দায়িত্ব পালন করেছি। এবার সংগঠনের হয়ে কাজ করব। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে দায়িত্ব বদলায়’।

নরেন্দ্র মোদির পর বিজয় রূপানি হচ্ছেন গুজরাতের দ্বিতীয়  বিজেপি মুখ্যমন্ত্রী, যিনি পাঁচ বছর এই পদের দায়িত্ব পালন করেছেন। আনন্দীবেন প্যাটেলের পদত্যাগের পরে ২০১৬ সালের ৭ আগস্ট রূপানি গুজরাতে মুখ্যমন্ত্রী পদে বসেন। তিনি ছিলেন গুজরাতের ১৬ তম মুখ্যমন্ত্রী। দীর্ঘ সময় ধরে তিনি মুখ্যমন্ত্রী পদে তাঁর দায়িত্ব সামলান।

আরও পড়ুন: বিমান দুর্ঘটনা: ৩ দিন পর ডিএনএ পরীক্ষায় বিজয় রূপাণীর দেহ শনাক্ত

বিজয় রূপানি ১৯৭৬ সালে অখিল ভারতীয় বিদ্যার্থী পরিষদে(এবিভিপি) যোগ দেন। সেই থেকেই শুরু হয় তার রাজনৈতিক যাত্রা। গুজরাতে সেই সময় পতিদার সম্প্রদায়ের প্রভাব ছিল খুব বেশি। ২০১৭ সালের বিধানসভা নির্বাচন বিজয় রূপানির কাছে একটি টার্নিং পয়েন্ট হয়ে দাঁড়ায়।

সর্বধিক পাঠিত

প্রতিবেশী দেশগুলোর উপর আক্রমণ করবে না ইরান, বড় ঘোষণা রাষ্ট্রপতি মাসুদ পেজেশকিয়ানের

Copyright © Puber Kalom All rights reserved.| Developed by eTech Builder

গুজরাতের মুখ্যমন্ত্রীর পদ থেকে ইস্তফা বিজয় রূপানির

আপডেট : ১১ সেপ্টেম্বর ২০২১, শনিবার

পুবের কলম, ওয়েবডেস্কঃ ইস্তফা দিলেন গুজরাতের মুখ্যমন্ত্রী বিজয় রূপানি। শনিবার এই পদ থেকে ইস্তফা দেন তিনি। ইস্তফা দেওয়ার পর বিজয় রূপানি বলেন, ‘ এতদিন মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে সমস্ত দায়িত্ব পালন করেছি। এবার সংগঠনের হয়ে কাজ করব। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে দায়িত্ব বদলায়’।

নরেন্দ্র মোদির পর বিজয় রূপানি হচ্ছেন গুজরাতের দ্বিতীয়  বিজেপি মুখ্যমন্ত্রী, যিনি পাঁচ বছর এই পদের দায়িত্ব পালন করেছেন। আনন্দীবেন প্যাটেলের পদত্যাগের পরে ২০১৬ সালের ৭ আগস্ট রূপানি গুজরাতে মুখ্যমন্ত্রী পদে বসেন। তিনি ছিলেন গুজরাতের ১৬ তম মুখ্যমন্ত্রী। দীর্ঘ সময় ধরে তিনি মুখ্যমন্ত্রী পদে তাঁর দায়িত্ব সামলান।

আরও পড়ুন: বিমান দুর্ঘটনা: ৩ দিন পর ডিএনএ পরীক্ষায় বিজয় রূপাণীর দেহ শনাক্ত

বিজয় রূপানি ১৯৭৬ সালে অখিল ভারতীয় বিদ্যার্থী পরিষদে(এবিভিপি) যোগ দেন। সেই থেকেই শুরু হয় তার রাজনৈতিক যাত্রা। গুজরাতে সেই সময় পতিদার সম্প্রদায়ের প্রভাব ছিল খুব বেশি। ২০১৭ সালের বিধানসভা নির্বাচন বিজয় রূপানির কাছে একটি টার্নিং পয়েন্ট হয়ে দাঁড়ায়।