পুবের কলম,ওয়েবডেস্ক: ফিলিস্তিনের গাজা উপত্যকায় দুই সপ্তাহের বেশি সময় ধরে নির্বিচারে রকেট হামলা চালিয়ে যাচ্ছে হানাদার ইসরাইল। আগেই গাজার অন্যান্য অংশের বাসিন্দাদের দক্ষিণে আশ্রয় নিতে বলেছিল ইহুদি বাহিনী। প্রাণভয়ে তৎক্ষণাৎ দক্ষিণে পালাতে শুরু করে গাজা সিটি, উত্তর গাজার বাসিন্দারা।
আরও পড়ুন:
নিরাপদ আশ্রয়ে গিয়ে বিপদমুক্ত হতে পারিনি নিপীড়িত গাজাবাসি। সেই দক্ষিণ গাজায় একের পর এক হামলা চালিয়ে যাচ্ছে ইসরাইলি বাহিনী।কিন্তু বিভিন্ন জায়গা থেকে লোকজনকে নিয়ে গিয়ে দক্ষিণ গাজায় কেন হামলা অব্যাহত রেখেছে ইসরাইলে, এ প্রশ্ন এখন জনমনে।
দক্ষিণ গাজার শহর খান ইউনিস। সেখান থেকে মিসরের সীমান্তের দূরত্ব মাত্র ১০ কিলোমিটার। গতকাল বুধবার খান ইউনিসের কয়েকটি আবাসিক ভবনে বোমাবর্ষণ করা হয়। এতে ধ্বংস হয় আবাসিক ভবনগুলো। গাজাজুড়ে ইসরাইলি হামলায় নারী-শিশুসহ সাড়ে সাত হাজারের বেশি মানুষের প্রাণ গেছে।আরও পড়ুন:
ইসরাইল বাহিনী সূত্রে খবর, গাজা সিটিতে হামাসই মূল শক্তি।
তবে পুরো গাজা উপত্যকাজুড়ে হামাস সদস্যরা ছড়িয়ে রয়েছেন। যেখানেই হামাসের সদস্যদের দেখা যাবে সেখানেই হামলা চালানো হবে। এমনকী পাশে বেসামরিক মানুষজন থাকলেও তা বিবেচনা করা হবে না। অথচ ১২ অক্টোবর এক আদেশে গাজার ২৩ লাখ বাসিন্দার প্রায় অর্ধেককে দক্ষিণে সরে যেতে নির্দেশ দিয়েছিল। এ জন্য ২৪ ঘণ্টার সময়ও বেঁধে দেওয়া হয়। সামরিক বাহিনী জানায়, হামাসের লক্ষ্যবস্তুতে হামলার সময় আঘাত থেকে বাঁচতে এ নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।আরও পড়ুন:
সংশ্লিষ্ট বিষয়ে ইসরাইলের সামরিক মুখপাত্র জোনাথন কনরিকাস জানিয়েছিলেন, ‘গাজা সিটিকে বড় ধরনের সামরিক তৎপরতার জন্য প্রস্তুত করা হচ্ছে। এটি পরবর্তী সময়ে ঘটবে। তাই আমরা বেসামরিক গাজাবাসীদের দক্ষিণে চলে যেতে বলেছি।’
আরও পড়ুন:
উল্লেখ্য, গাজা উপত্যকার সঙ্গে ইসরাইল ও মিসর—দুটি দেশের সীমান্ত। দুটি সীমান্ত ক্রসিংই বন্ধ রয়েছে। অসহায় গাজাবাসীর বাইরে কোথাও যাওয়ার সুযোগ নেই। অবরুদ্ধ উপত্যকার ভেতরেই প্রাণভয়ে এক জায়গা থেকে অন্য জায়গায় পালিয়ে বেড়াতে হচ্ছে তাদের। ইসরায়েলের এ সতর্কবার্তা উপেক্ষা করতে ফিলিস্তিনিদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে হামাস।
আরও পড়ুন: