পুবের কলম,ওয়েবডেস্ক: মেধাবী ছাত্রছাত্রীদের উচ্চশিক্ষার প্রস্তুতির অন্যতম ঠিকানা রাজস্থানের কোটা। গোটা দেশ থেকে ছাত্রছাত্রীরা সেখানে গিয়ে কোচিং নেয়।  এখানে যেতে অনেক সময়  ছাত্রছাত্রীদের  উৎসাহ ও উচ্চাকাঙ্খাকেছাপিয়ে যায় অভিভাবকদের উৎসাহ। সম্প্রতি চাপ সহ্য করতে না পেরে এখানে বহু পড়ুয়া আত্মহত্যা করছে। বেশিরভাগ সময়ে ফ্যানে ঝুলে আত্মহত্যা করছে তারা।
তাই এখন থেকে কোটায় সমস্ত ছাত্রাবাস তথা হস্টেলে ফ্যানে লাগানো হচ্ছে স্প্রিং।

সিলিং ফ্যানে দড়ি বা বিছানার চাদর জড়িয়ে গলায় ফাঁস দিতে গেলে ফ্যানটাই ঝুলে পড়বে। ফলে আর মৃত্যুর ঝুঁকি থাকবে না। কোটায় একের পর এক ছাত্র মৃত্যুর ঘটনার পর নতুন এই ফ্যান এখন গোটা দেশের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে। কোটার হস্টেল অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি নবীন মিত্তল এদিন বলেন, পর পর আত্মহত্যার ঘটনায় আমরাও চিন্তিত।
তার পর বেঙ্গালুরুর একটা কোম্পানি এসে প্রস্তাব দেয় যে তারা সিলিং ফ্যানের নতুন ডিভাইস তৈরি করেছে। ওই ডিভাইস এখন ৯৯ শতাংশ হস্টেলে লাগানো হয়ে গেছে বা কাজ চলছে।

পড়াশোনার অতিরিক্ত চাপের কারণে হোক কিংবা জীবনে সুপ্রতিষ্ঠিত হওয়ার ইঁদুরদৌড়, অথবা হতাশা থেকে ফি বছর মৃত্যুমিছিল লেগে রয়েছে ‘কোটা ফ্যাক্টরি’তে। গত বৃহস্পতিবার কোটায় উত্তরপ্রদেশ থেকে আসা এক জয়েন্ট এন্ট্রান্স পরীক্ষার্থী আত্মহত্যা করেছিলেন। ওই ছাত্রের বাবা তার আগের দিনই গিয়ে দেখা করে এসেছিলেন ছেলের সঙ্গে। তারপর আজমগঞ্জের বাড়িতে ফিরে যাওয়ার পথে ছেলের মৃত্যু সংবাদ পান তিনি। তারপর ৭ দিনও কাটেনি, স্বাধীনতা দিবসের রাতে ফের এক জয়েন্ট এন্ট্রান্স পরীক্ষার্থী আত্মহত্যা করেন।