সেখ জাহির আব্বাস: মাদ্রাসা শিক্ষক শিক্ষাকর্মী সমিতির উদ্যোগে বর্ধমান হাই মাদ্রাসায় নব নিযুক্ত প্রধান শিক্ষক শিক্ষিকাদের সম্বর্ধনা সভা ও একটি কর্মশালার আয়োজন করা হয়। উপস্থিত ছিলেন সমিতির রাজ্য সভাপতি মৌলানা রফিকুল ইসলাম, সম্পাদক আলি হোসেন মিদ্দ্যা, প্রাক্তন ডি আই আব্দুল হাই, বর্ধমান বার অ্যাসোসিয়েশনের সম্পাদক আইনজীবী সদন তা, শিক্ষাবিদ রথীন মল্লিক, বর্ধমান রাজ কলেজের অধ্যক্ষ নিরঞ্জন মণ্ডল, শিক্ষারত্ন প্রাপ্ত শিক্ষক, মৌলানা এহসানুল হক, মৌলানা জাকির হোসেন, ফিরোজ আহমেদ প্রমুখ।
আরও পড়ুন:
রথীনবাবু আধুনিক শিক্ষার পাশাপাশি উন্নত মনন গঠনের আহ্বান জানান। মৌলানা রফিকুল ইসলাম হাদিসের আলোকে নিজ নিজ দায়িত্ব ও কর্তব্য পালনের কথা স্মরণ করিয়ে দেন। পাশাপাশি তিনি দাবি জানান, 'বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয়ে স্নাতকোত্তরে আরবি থাকলেও এর অধীনস্থ জেলার কোনও কলেজে আরবি বিষয় না থাকায় মাদ্রাসা ও স্কুলের উচ্চ মাধ্যমিকের গণ্ডি পার হওয়া পড়ুয়ারা ভীষণ অসুবিধায় পড়ে।
তাই অবিলম্বে জেলার অন্তত একটি কলেজে আরবি বিষয়কে স্নাতক পাঠক্রমে চালু করা হোক।"আরও পড়ুন:

যদিও বিষয়টি নিয়ে সমিতি পরবর্তীতে আরও ভাববে বলে জানান, রাজ্য সম্পাদক আলি বাবু।
আরও পড়ুন:
উল্লেখ্য, প্রধান শিক্ষক তোরাব আলি বলেন, ইতিপূর্বে রাজ কলেজে আরবি চালুর বিষয়ে ডেপুটেশন দিলেও কোনও কাজ হয়নি। বর্তমানে আরবি ভাষা ও সাহিত্যের শিক্ষার্থীরা ভীষণ সমস্যায়। এদিকে, কলেজের অধ্যক্ষ নিরঞ্জনবাবু বলেন, কলেজে আরবি চালুর মত কোনও পরিকাঠামো না থাকায় এখনই তা সম্ভব হচ্ছে না।
আরও পড়ুন:

তবে, জেলার প্রায় ৪০টি মাদ্রাসা ও এম এস কে থেকে আগত শিক্ষক শিক্ষিকাদের পক্ষ থেকে প্রশ্ন উঠেছে, " একটি বিষয় কে স্নাতক স্তরে চালু করতে কলেজে এমন কি পরিকাঠামোর প্রয়োজন? তাছাড়া,এই পরিকাঠামো কি সারা জেলার মধ্যে একটি কলেজেও নেই? অথচ, বর্ধমান বিশ্ব বিদ্যালয়ে আরবি পড়ানোর ব্যবস্থা আছে। তাহলে কি ধীরে ধীরে বিশ্ব বিদ্যালয় থেকেও আরবি তুলে দেওয়া হবে?"
আরও পড়ুন:
এ দিন ১৬ জন নব নিযুক্ত প্রধান শিক্ষক শিক্ষিকাকে সংবর্ধনা দেওয়া হয়। সভার দ্বিতীয় পর্বে প্রাক্তন ডি আই অফ স্কুলস আব্দুল হাই সাহেব প্রধান শিক্ষক শিক্ষিকাদের মাদ্রাসা পরিচালন কার্য সহজসাধ্য করতে প্রশিক্ষণ দেন। সমগ্র অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন জেলা ও রাজ্য সম্পাদক আলি হোসেন মিদ্যা।