০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, বুধবার, ২১ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

রমযানের জন্য ভাগলপুরের স্কুলের সময়সূচী বদল   

পুবের কলম,ওয়েবডেস্ক: চলছে কঠিন সংযমের মাস রমযান।  বিহারের কিষাণগঞ্জ স্কুল আগেই বদলে দিয়েছে স্কুলের নির্ধারিত  সময়। এবার ভাগলপুরের স্কুলও   মুসলিম পড়ুয়াদের কথা মাথায়  রেখে বদলে দিল নির্ধারিত সময়। এই  মসুলিম পড়ুয়ারা অনেকেই রোজা রাখে। সেকথা মাথায় রেখেই এই  বদল। জেলা শিক্ষা আধিকারিক সঞ্জয় কুমার এ বিষয়ে একটি চিঠি  দিয়েছেন। তাতে বলা হয়েছে সমস্ত স্কুল সকাল ৬.৩০ টা থেকে ১১  .৩০ টা পর্যন্ত চলবে। মিড- মিল ওই সময়ের মধ্যেই পড়ুয়াদের দিয়ে  দেওয়া হবে। এই সময়সূচীটি ৩ এপ্রিল থেকে চালু হবে। চলবে  গরমের সময় পর্যন্ত। স্কুল বন্ধ হওয়ার নির্ধারিত সময়ের এক ঘন্টা  আগে মুসলিম শিক্ষদের বাড়ি যাওয়ার অনুমতি দেওয়া হয়েছে  কেবল বৃহস্পতি ও শনিবার ছাড়া। এর আগে কিষাণগঞ্জ জেলাতে  এমন নির্দেশে বলবৎ হয়েছিল। যেখানে রমযান চলাকালে মুসলিম শিক্ষক ও পড়ুয়াদের একঘন্টা আগে বাড়ি যাওয়ার অনুমতি দেওয়া  হয়েছে। ইতিমধ্যেই বিহার সরকার রমযান চলাকালীন মুসলিম  কর্মীদের একঘন্টা দেরিতে অফিস আসার এবং এক ঘন্টা আগে অফিস ত্যাগের অনুমতি দিয়েছে ।

আরও পড়ুন: আন্দোলন না করে স্কুলে ফিরুন চাকরি হারা শিক্ষকরা, আর্জি ফিরহাদের
প্রতিবেদক

ইমামা খাতুন

২০২২ সাল থেকে সংবাদ জগতের সঙ্গে যুক্ত। আলিয়া বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাংবাদিকতাতে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছে। ডিজিটাল প্লাটফর্মে রিপোর্টার হিসেবে হাতেখড়ি। ২০২২ সালের শেষান্তে পুবের কলম-এর সঙ্গে যুক্ত হয়। ইমামার ভাষ্যে, The First Law of Journalism: to confirm existing prejudice, rather than contradict it.
সর্বধিক পাঠিত

দেরাদুনে বাস খাদে, ৩ জনের মৃত্যু

Copyright © Puber Kalom All rights reserved.| Developed by eTech Builder

রমযানের জন্য ভাগলপুরের স্কুলের সময়সূচী বদল   

আপডেট : ৩১ মার্চ ২০২৩, শুক্রবার

পুবের কলম,ওয়েবডেস্ক: চলছে কঠিন সংযমের মাস রমযান।  বিহারের কিষাণগঞ্জ স্কুল আগেই বদলে দিয়েছে স্কুলের নির্ধারিত  সময়। এবার ভাগলপুরের স্কুলও   মুসলিম পড়ুয়াদের কথা মাথায়  রেখে বদলে দিল নির্ধারিত সময়। এই  মসুলিম পড়ুয়ারা অনেকেই রোজা রাখে। সেকথা মাথায় রেখেই এই  বদল। জেলা শিক্ষা আধিকারিক সঞ্জয় কুমার এ বিষয়ে একটি চিঠি  দিয়েছেন। তাতে বলা হয়েছে সমস্ত স্কুল সকাল ৬.৩০ টা থেকে ১১  .৩০ টা পর্যন্ত চলবে। মিড- মিল ওই সময়ের মধ্যেই পড়ুয়াদের দিয়ে  দেওয়া হবে। এই সময়সূচীটি ৩ এপ্রিল থেকে চালু হবে। চলবে  গরমের সময় পর্যন্ত। স্কুল বন্ধ হওয়ার নির্ধারিত সময়ের এক ঘন্টা  আগে মুসলিম শিক্ষদের বাড়ি যাওয়ার অনুমতি দেওয়া হয়েছে  কেবল বৃহস্পতি ও শনিবার ছাড়া। এর আগে কিষাণগঞ্জ জেলাতে  এমন নির্দেশে বলবৎ হয়েছিল। যেখানে রমযান চলাকালে মুসলিম শিক্ষক ও পড়ুয়াদের একঘন্টা আগে বাড়ি যাওয়ার অনুমতি দেওয়া  হয়েছে। ইতিমধ্যেই বিহার সরকার রমযান চলাকালীন মুসলিম  কর্মীদের একঘন্টা দেরিতে অফিস আসার এবং এক ঘন্টা আগে অফিস ত্যাগের অনুমতি দিয়েছে ।

আরও পড়ুন: আন্দোলন না করে স্কুলে ফিরুন চাকরি হারা শিক্ষকরা, আর্জি ফিরহাদের