মেট্রোপলিটানের ভবন দখলকে কেন্দ্র করে তৃণমূলের অন্দরে নতুন করে শুরু হয়েছে টানাপোড়েন। সেই বিতর্কের আবহেই দলের রাজ্য সভানেত্রী-সহ সমস্ত সাংগঠনিক পদ থেকে ইস্তফা দিলেন চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য। এমনকি দলের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টের সিগনেটরি হিসেবেও নিজের দায়িত্ব থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন তিনি।

চন্দ্রিমার দাবি, দলের শীর্ষ নেতৃত্ব তাঁর আনুগত্য নিয়েই প্রশ্ন তুলেছে। আর সেই কারণেই তিনি এই সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য হয়েছেন।

এক বিবৃতিতে চন্দ্রিমা বলেন, দীর্ঘদিন ধরে তিনি দলের একজন সৈনিক হিসেবে কাজ করেছেন এবং সংগঠনকে শক্তিশালী করার চেষ্টা করেছেন। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রতি তাঁর শ্রদ্ধা ও আনুগত্যে কখনও কোনও ঘাটতি ছিল না বলেও দাবি করেন তিনি।

মেট্রোপলিটানের ভবনকে কেন্দ্র করে সাম্প্রতিক বিতর্কের প্রসঙ্গ টেনে তিনি জানান, একাধিক বিধায়ক সেখানে উপস্থিত থাকলেও তাঁর সঙ্গে কোনও আলোচনা হয়নি। পরে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ফোনে তাঁকে প্রশ্ন করেন, তিনি কি ভবনটি অন্যদের হাতে তুলে দিয়েছেন? এই প্রশ্নেই তিনি গভীরভাবে আঘাত পেয়েছেন বলে জানান চন্দ্রিমা।

তাঁর কথায়, “যখন আমার আনুগত্য নিয়েই প্রশ্ন উঠছে, তখন এই পরিস্থিতিতে আমার আর কাজ করা উচিত নয়। বেদনাহত মন নিয়ে আমি সব দায়িত্ব ছেড়ে দিচ্ছি।”
চন্দ্রিমা আরও জানিয়েছেন, তিনি আর কালীঘাটে যাবেন না।

রাজ্যের রাজনীতিতে চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য দীর্ঘদিন ধরে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ঘনিষ্ঠ সহযোগী হিসেবে পরিচিত ছিলেন। তিনি একাধিক গুরুত্বপূর্ণ দপ্তরের দায়িত্ব সামলেছেন এবং দলের বিভিন্ন সাংগঠনিক কর্মকাণ্ডেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন।