পুবের কলম প্রতিবেদক: ভোটাভুটি থেকে সম্মেলন পর্বে শুরু করে চরম কোন্দলও সামনে আসছে বেশ কয়েকটি জেলায় এরিয়া কমিটির সম্মেলনে। আর তারই মধ্যে খোদ কলকাতাতেও টালিগঞ্জ ২ নম্বর এরিয়া কমিটির সম্মেলনে কথা কাটাকাটি থেকে হাতাহাতির ঘটনা নজিরবিহীন। এর পর থেকেই বিব্রত আলিমুদ্দিন স্ট্রিট।
আরও পড়ুন:
উপদলীয় কার্যকলাপ বন্ধে জেলায় জেলায় কড়া বার্তা পাঠাল বঙ্গ সিপিএম। দলের রাজ্য সম্পাদক মহম্মদ সেলিমকেও কড়া বার্তা পাঠানো হচ্ছে আলিমুদ্দিনের তরফে।
বলা হয়েছে, সম্মেলন সংক্রান্ত নির্দেশিকার কথা পার্টিকে বলা হয়েছে। আর বার্তা দিয়ে বলেছেন, ‘কিছু কিছু ক্ষেত্রে মনে হয় তারা দলের কথা মানিয়ে নিতে পারছে না। হয় মানিয়ে নিতে হয়, না হলে দলের বাইরে যেতে হয়।’আরও পড়ুন:
৩৪ বছর যে সিপিএম পার্টির নেতৃত্বে বামফ্রন্ট সরকার বাংলায় ক্ষমতায় ছিল। চোদ্দো বছর ক্ষমতায় নেই সেই সিপিএম।
তার পরও পার্টির রাজ্য সম্পাদককে দলের নেতা-কর্মীদের একাংশের প্রতি বার্তা দিয়ে বলতে হচ্ছে, পার্টিতে শৃঙ্খলাই শেষ কথা। দলের গঠনতন্ত্র মেনে সবাই সম্মত হয়েই সই করে স্বেচ্ছায় পার্টিতে আসে। পাশাপাশি সম্মেলন সম্পর্কে একাধিক নির্দেশিকা দিয়ে উপদলীয় কার্যকলাপ বন্ধের ভিত্তিতে বিভিন্ন স্তরের সম্মেলনগুলিকে সফলভাবে সংগঠিত করতে আরও গুরুত্ব আরোপ করতে হবে।READ MORE:বুলডোজার: ক্ষতিপূরণের আশা করছেন ইউপির গৃহহারা
এবং একইসঙ্গে পার্টিকে আরও সংহত, ঐক্যবদ্ধ ও আন্দোলনমুখী করে তুলতে হবে। ঐক্যবদ্ধ সর্বসম্মত কমিটি নির্বাচনের কথা বলা হয়েছে। এদিকে, টালিগঞ্জ ২ নম্বর এরিয়া কমিটির সম্মেলনকে কেন্দ্র করে কোন্দলের যে নজিরবিহীন ঘটনা ঘটেছে, আর তা প্রকাশ্যে এসে যাওয়া নিয়ে প্রচণ্ড ক্ষুব্ধ আলিমুদ্দিন। যাঁরা সম্মেলনের মধ্যে গন্ডগোলে জড়িয়ে পড়েছে, সেই কমরেডদের বিরুদ্ধে দলীয় স্তরে কড়া ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য রাজ্য কমিটির তরফে কলকাতা জেলা গোষ্ঠীর মধ্যে হাতাহাতি হয় গত শনিবার রাতে টালিগঞ্জ এরিয়া কমিটির সম্মেলনে।আরও পড়ুন:
এই এরিয়া কমিটির পার্টি সদস্য সোমনাথ ঝাকে গত বৃহষ্পতিবার বহিষ্কার করেছিল কলকাতা জেলা সিপিএম। নারী নিগ্রহ থেকে শ্লীলতাহানি, এই জোড়া অভিযোগে অভিযুক্ত ৯৮ নম্বর ওয়ার্ডের পার্টির যুবনেতা সোমনাথকে বহিষ্কার করেছে সিপিএম। এই সোমনাথকে বহিষ্কার নিয়েই সম্মেলনে দুই গোষ্ঠীর কোন্দল চরমে উঠেছিল। এই টালিগঞ্জ এরিয়া কমিটির কোন্দল প্রসঙ্গে মহম্মদ সেলিমের বক্তব্য, ‘সিপিএম পার্টির ক্ষেত্রে এই ঘটনা বেমানান। যেটা পার্টির শৃঙ্খলা ও গঠনতন্ত্রের সঙ্গে খাপ খাচ্ছে না।’