পুবের কলম ওয়েব ডেস্ক: প্রায় এক বছর ধরে জেলবন্দী গুজরাতের প্রাক্তন ডিজিপি আর বি শ্রীকুমার ও সমাজকর্মী তিস্তা শেতলবাদ। ২০০২-র গুজরাত দাঙ্গার পর গুজরাতের তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও তাঁর সরকারের গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রীদের বিরুদ্ধে মুখ খুলেছিলেন এই দুজন। একই কাজ করেছিলেন আইপিএস সঞ্জীব ভাট। সাংবাদিক রানা আয়ুবের মত এই তিনজনও বলেছিলেন, দাঙ্গা উসকানোর ক্ষেত্রে ভূমিকা ছিল সরকারের। মুসলমানদের হত্যা করা হচ্ছে জেনেও পুলিশককে নিষ্ক্রিয় থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছিল।
তার জেরে দীর্ঘ বছর কারাগারে কাটিয়েছেন সঞ্জীব ভাট। নতুন করে গত বছর ২৫ জুন গ্রেফতার করা হয় আর বি শ্রীকুমার ও তিস্তা শেতলবাদকে। গুজরাত দাঙ্গা সম্পর্কে ভুয়ো তথ্য দেওয়া ও নরেন্দ্র মোদি সহ অন্যান্যদেরকে ফাঁসানোর চেষ্টা করার যুক্তি সামনে রাখে এই দুজনকে গ্রেফতার করা হয়।আরও পড়ুন:
প্রাক্তন ডিজিপি আর বি শ্রীকুমার নিজেকে নির্দোষ দাবি করে মুক্তির আবেদন জানিয়েছিলেন আহমদাবাদের একটি সেশন কোর্টে। কিন্তু সোমবার তাঁর আবেদন খারিজ করে দেয় আদালত।
আরও পড়ুন:
আদালতের বক্তব্য, সরকারি আইনজীবি শ্রীকুমারের বিরুদ্ধে যথেষ্ট তথ্যপ্রমান জমা দিয়েছে। সেখানে একটি কথোপথনের অডিয়ো রেকর্ডও আছে, যেটা শুনে মনে করা হচ্ছে, শ্রীকুমারের বিরুদ্ধে যে অভিযোগ করা হয়েছিল তা সত্য। উল্লেখ্য, সম্প্রতি তিস্তা শেতলওয়াদের জামিনের বিরুদ্ধেও আদালতে সরব হয়েছিল গুজরাত সরকারের আইনজীবি।
১৯৭১ সালে আইপিএসে যোগ দেন শ্রীকুমার। গুজরাত দাঙ্গার সময় তিনি ওই রাজ্যের অ্যাডিশনাল ডিজিপি পদে ছিলেন। সরকারের চাপ থাকে সত্ত্বেও শ্রীকুমার ও সঞ্জীব ভাট বলেছিলেন, তৎকালীন গুজরাত সরকার দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে দেখেছিল মৃত্যু মিছিল। উগ্র হিন্দুত্ববাদীরা আক্রমন করছে দেখেও পুলিশকে অপেক্ষা করার নির্দেশ দেয় নরেন্দ্র মোদির সরকার।
আরও পড়ুন: