পুবের কলম, ওয়েব ডেস্কঃ বিমানের ধাক্কায় মৃত্যু হল ৩৬টি ফ্লেমিঙ্গো পাখির। আহতও হয়েছে আরও বেশিকিছু ফ্লেমিঙ্গো। মর্মান্তিক ঘটনাটি ঘটেছে মুম্বইয়ের ঘাটকোপারের পন্তনগরের লক্ষ্মী নগর এলাকায়। প্রাথমিকভাবে জানা গিয়েছে, সোমবার রাতে এমিরেটস এয়ারলাইন্সের ইকে ৫০৮ বিমানটি দুবাই থেকে মুম্বই আসছিল। অবতরণের ঠিক আগে ৮টা ৪০ নাগাদ পাখির ঝাঁকের সঙ্গে ধাক্কা লাগে বিমানটির।
এই দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বিমানটিও। তবে সেটিকে সুরক্ষিতভাবে অবতরণ করানো সম্ভব হয়েছে। এদিকে এই ঘটনার জেরে বিমানটি এতটাই ক্ষতিগ্রস্ত হয় যে বাতিল করা হয় পরবর্তী দুবাইগামী বিমান।আরও পড়ুন:
এ দিকে দুর্ঘটনার খবর পেয়েই ঘটনাস্থলে গিয়ে ৩৬টি ফ্লেমিঙ্গো পাখির দেহ উদ্ধার করে বন দফতরের কর্মীরা। পাশাপাশি আহত ফ্লেমিঙ্গোগুলির খোঁজে তল্লাশি চালানো হচ্ছে।
জানা গিয়েছে, বিষয়টি খতিয়ে দেখতে বন কর্মীরা বিমানবন্দরে যাওয়ার চেষ্টা করলেও সেখানকার আধিকারিকদের আপত্তিতে তা সম্ভব হয়নি। ওই অঞ্চলের বন দফতরের আধিকারিক এসওয়াই রামা রাও বলেন, "এলাকায় ৩৬ টি পাখির মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। পাশাপাশি আরও বহু আহত পাখিকে উদ্ধার করা হয়। আহত ফ্লেমিংগোর খোঁজে ওই এলাকায় তল্লাশি শুরু করেছেন বনকর্মীরা।"আরও পড়ুন:
অবশ্য মুম্বইয়ে ফ্লেমিঙ্গো মৃত্যুর ঘটনা এই প্রথমবার নয়, গত মাসে নভি মুম্বইয়ে ডিপিএস হ্রদের কাছে ১২টি আহত পাখি নজরে আসে পথচারিদের।
সেই ঘটনার খবর পেয়ে পাখিগুলিকে উদ্ধার করে বনদফতর। পরে ওই ১২ পাখির মধ্যে ৭ টি পাখির মৃত্যু হয়। তার আগে মার্চ মাসে রাস্তার ধারে লাগানো সাইনবোর্ডে ধাক্কা খেয়ে ২ ফ্লেমিংগোর মৃত্যু হয়। এভাবে একের পর এক পাখি মৃত্যুর ঘটনায় স্বাভাবিকভাবেই উদ্বিগ্ন বনদফতর।আরও পড়ুন:
তবে বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, অভয়ারণ্য এলাকার মধ্য দিয়ে নতুন বিদ্যুতের লাইন যাওয়ার ফলে পাখিদের বিভ্রান্তি বেড়েছে। ফলে এই ধরনের ঘটনা ঘটল। এক্ষেত্রে বন্যপ্রাণী বোর্ডের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। তবে এই ঘটনা কী কারণে ঘটল, তা জানতে তদন্ত শুরু করা হয়েছে।
আরও পড়ুন: