পুবের কলম, ওয়েবডেস্ক: “আর সহ্য করা যাচ্ছে না...” —অশ্রুসজল চোখে শেষ ভিডিও বার্তায় এই একমুঠো আকুতি রেখে আত্মহননের পথ বেছে নিলেন উত্তরাখণ্ডের দেরাদুনের এক সরকারি শিক্ষিকা। বিয়ের মাত্র আট মাসের মাথায় সষ্টি কান্ধারি নামের ওই শিক্ষিকার এই রহস্যজনক মৃত্যুর ঘটনায় পুরো এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। মৃত্যুর আগে সমাজমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া তাঁর এক ভিডিও বার্তায় তিনি স্বামী ও শ্বশুরবাড়ির লোকজনের বিরুদ্ধে মাসের পর মাস মানসিক নির্যাতনের চাঞ্চল্যকর অভিযোগ তুলে ধরেছেন। শিক্ষিকার পরিবারের লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ তাঁর স্বামী, শাশুড়ি ও ননদের বিরুদ্ধে মামলা রুজু করে তদন্ত শুরু করেছে।

ভাইরাল ভিডিও বার্তায় কান্নাভেজা গলায় সষ্টি কান্ধারিকে বলতে শোনা যায়, মাসের পর মাস ধরে শ্বশুরবাড়ির মানসিক নির্যাতন তিনি সহ্য করে আসছিলেন, কিন্তু “ওদের মানসিকতা কোনোদিন বদলাবে না।” পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, ২০২৫ সালের নভেম্বরে ডোইওয়ালা এলাকার বাসিন্দা তথা অপর এক সরকারি কর্মী সৌরভ রাতুরির সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন সষ্টি। দেরাদুন শহর থেকে প্রায় ২০ কিলোমিটার দূরে ডোইওয়ালাতেই তাঁরা একসঙ্গে বসবাস করছিলেন।

নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে থানায় দায়ের করা অভিযোগে বলা হয়েছে, বিয়ের পর থেকেই অতিরিক্ত যৌতুকের দাবিতে সষ্টির ওপর চরম মানসিক ও শারীরিক নির্যাতন চালাতেন তাঁর স্বামী ও শ্বশুরবাড়ির সদস্যরা। দেরাদুন পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ঘটনার প্রতিটি দিক খতিয়ে দেখতে পুঙ্খানুপুঙ্খ তদন্ত শুরু হয়েছে।