গাজায় স্থায়ী শান্তি প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে হামাসসহ সব সশস্ত্র গোষ্ঠীর ধাপে ধাপে নিরস্ত্রীকরণ এবং ইসরায়েলি সেনা প্রত্যাহারের ভিত্তিতে একটি নতুন সমঝোতা চূড়ান্ত হয়েছে বলে দাবি করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি এই উদ্যোগকে মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি প্রতিষ্ঠার পথে একটি গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি হিসেবে উল্লেখ করেছেন।
আরও পড়ুন:
ট্রাম্পের ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া বার্তা এবং আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মিশর, কাতার ও তুরস্কের মধ্যস্থতায় এই সমঝোতার খসড়া তৈরি হয়েছে। পরিকল্পনা অনুযায়ী, ধাপে ধাপে গাজার সব ভারী ও হালকা অস্ত্র নিষ্ক্রিয় করা হবে। একইসঙ্গে ইসরায়েলি বাহিনী প্রত্যাহারের পর আন্তর্জাতিক স্থিতিশীলতা রক্ষা বাহিনী (আইএসএফ) এবং নতুন ফিলিস্তিনি পুলিশ বাহিনী গাজার নিরাপত্তার দায়িত্ব গ্রহণ করবে।
আরও পড়ুন:
চুক্তির অংশ হিসেবে ‘ন্যাশনাল কমিটি ফর দ্য অ্যাডমিনিস্ট্রেশন অব গাজা’ (এনসিএজি) নামে একটি অন্তর্বর্তীকালীন টেকনোক্র্যাট প্রশাসন গঠনের প্রস্তাব রয়েছে। এই কমিটির তত্ত্বাবধানে গাজার শাসন পরিচালনার পাশাপাশি সুড়ঙ্গ, অস্ত্রভাণ্ডার ও অস্ত্র তৈরির কারখানা ধ্বংস করা হবে এবং সব ধরনের অস্ত্রের নিয়ন্ত্রণ তাদের হাতে থাকবে।
আরও পড়ুন:
জানা গেছে, খুব শিগগিরই কায়রোতে মধ্যস্থতাকারী দেশগুলোর বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে। সেখানে যুদ্ধবিরতির দ্বিতীয় ধাপ বাস্তবায়ন এবং পরবর্তী পদক্ষেপ নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হবে।
আরও পড়ুন:
তবে এখনই চুক্তি নিয়ে আনুষ্ঠানিক কোনো প্রতিক্রিয়া জানায়নি ইসরায়েল।
দেশটির একটি রাজনৈতিক সূত্র জানিয়েছে, প্রস্তাবটি তাদের নিরাপত্তা-সংক্রান্ত সব শর্ত পূরণ করছে না। অন্যদিকে, হামাসের একটি সূত্রের দাবি, অস্ত্র-সংক্রান্ত দুটি ধারায় সংশোধনের প্রস্তাব দিয়ে তারা ইসরায়েলের উত্তরের অপেক্ষায় রয়েছে।আরও পড়ুন:
এদিকে শান্তি আলোচনার মধ্যেও গাজায় সংঘাত অব্যাহত রয়েছে। স্থানীয় স্বাস্থ্য কর্মকর্তাদের তথ্য অনুযায়ী, বৃহস্পতিবার ইসরায়েলি হামলায় দুই শিশুসহ অন্তত চারজন নিহত হয়েছেন। এছাড়া সম্প্রতি ওয়াশিংটনে ট্রাম্প ও ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর বৈঠক হলেও সেখানে গাজা ইস্যু নিয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক আলোচনা হয়নি বলে জানা গেছে।