আজ, ১ আগস্ট থেকে পশ্চিমবঙ্গ-সহ দেশজুড়ে শুরু হল ডিজিটাল জনগণনার প্রথম ধাপ ‘সেল্ফ এনুমারেশন’ বা স্ব-সুমারি। এই পর্যায়ে নাগরিকরা অনলাইনে নিজেদের পরিবারের তথ্য নিজেই জমা দিতে পারবেন। একইসঙ্গে শুরু হচ্ছে গৃহগণনাও।

কলকাতা পুরসভার প্রশাসক স্মিতা পাণ্ডে জানিয়েছেন, এই কর্মসূচিতে শহরের প্রায় ৭০০টি সরকারি ও সরকার-পোষিত এবং ৩০০টি বেসরকারি স্কুলের অষ্টম থেকে দ্বাদশ শ্রেণির ছাত্রছাত্রীদের যুক্ত করা হয়েছে।

প্রতিটি শ্রেণিতে একজন করে ‘সেন্সাস প্রিফেক্ট’ নির্বাচিত করা হবে। তাঁরা নিজেদের পরিবারের পাশাপাশি আরও অন্তত ১০টি পরিবারকে অনলাইনে স্ব-সুমারিতে অংশ নিতে উৎসাহিত করবেন।

পুরসভার লক্ষ্য, কলকাতার প্রায় ৫৫ লক্ষ জনসংখ্যার মধ্যে ২৫ থেকে ৩০ লক্ষ মানুষকে এই ডিজিটাল স্ব-সুমারির আওতায় আনা। এই কাজে শহরে ৮,২০০ জন গণনাকারী (এনুমারেটর) এবং ১,৪০০ জন সুপারভাইজার নিয়োগ করা হয়েছে।

জনগণনার জন্য নির্ধারিত পোর্টালে প্রবেশ করে মাত্র ১০ মিনিটের মধ্যেই অনলাইনে ফর্ম পূরণ করা যাবে। মোট ৩৪টি প্রশ্নের মাধ্যমে পরিবারের সদস্যদের পাশাপাশি বসতবাড়ি সম্পর্কিত তথ্যও দিতে হবে। আবেদন সম্পূর্ণ হলে আবেদনকারীর মোবাইল বা ই-মেলে ১১ সংখ্যার একটি ‘SEID’ নম্বর পাঠানো হবে। পরবর্তী পর্যায়ে গণনাকারীরা বাড়িতে গেলে এই নম্বর দেখাতে হবে, তাই এটি সংরক্ষণ করে রাখার পরামর্শ দিয়েছে প্রশাসন।

যাঁরা অনলাইনে স্ব-সুমারি করতে পারবেন না, তাঁদের জন্য ১৬ আগস্ট থেকে ১৪ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত বাড়ি বাড়ি গিয়ে তথ্য সংগ্রহ করবেন সরকারি গণনাকারীরা। এরপর দ্বিতীয় ধাপে ২০২৭ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ব্যক্তিভিত্তিক জনসংখ্যা সংক্রান্ত তথ্য সংগ্রহের কাজ চলবে।