পুবের কলম, ওয়েবডেস্ক: দেশে ই২০ পেট্রোল অর্থাৎ ৮০ শতাংশ পেট্রোলের সঙ্গে ২০ শতাংশ ইথানল মিশ্রিত জ্বালানির ব্যবহার বৃদ্ধি পাওয়ার পর থেকেই গাড়ির ইঞ্জিনের স্থায়িত্ব এবং মাইলেজ কমা নিয়ে গ্রাহকদের মধ্যে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। এই পরিস্থিতিতে শুক্রবার লোকসভায় লিখিত জবাবে কেন্দ্রীয় সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক মন্ত্রী নিতিন গড়করি জানান, গাড়ির ধরন ও বয়সের ওপর ভিত্তি করে ই২০ ব্যবহারের ফলে মাইলেজে বা জ্বালানি সাশ্রয়ে ২ থেকে ৬ শতাংশ পর্যন্ত ঘাটতি হতে পারে।
আরও পড়ুন:
উল্লেখ্য, পেট্রোলিয়াম মন্ত্রণালয়ের দেওয়া পরিসংখ্যানে বলা হয়েছিল ই২০ পেট্রোলের ব্যবহারে মাইলেজ ৩ থেকে ৫ শতাংশ কমতে পারে। তবে গড়করি সংসদে স্পষ্ট করেছেন, ডায়নামোমিটারে ইঞ্জিনের স্থায়িত্ব পরীক্ষা এবং রাস্তার ওপর সরাসরি গাড়ি চালিয়ে দেখা গেছে—ই২০ ব্যবহারের কারণে কোনো ইঞ্জিন অকেজো বা বিকল হয়নি।
সংসদের বর্ষাকালীন অধিবেশনে এক প্রশ্নের জবাবে গড়করি জানান, বিএস-৩, বিএস-৪ এবং বিএস-৬ মানদণ্ডের দু’চাকা ও চার চাকার যানবাহনের ওপর ই২০ পেট্রোলের প্রভাব খতিয়ে দেখতে একটি বিশেষ সমীক্ষা চালানো হয়েছিল।
ই২০ পেট্রোলের দ্রুত প্রচলন নিয়ে বিরোধী দল ও বিভিন্ন ক্রেতা সুরক্ষা গোষ্ঠীর মধ্যে ক্ষোভ দেখা দিয়েছে। তাদের মূল উদ্বেগ পুরনো গাড়িগুলিকে নিয়ে, যেগুলি ২০ শতাংশ ইথানল মিশ্রণের কথা মাথায় রেখে তৈরি করা হয়নি। সমালোচকদের দাবি, পুরনো গাড়ির জ্বালানি ব্যবস্থাপনায় ইথানল ব্যবহারের ফলে যন্ত্রাংশ নষ্ট হওয়া, রক্ষনাবেক্ষণের খরচ বৃদ্ধি এবং মাইলেজ কমে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।