তৃণমূল কংগ্রেসের রাজ্য সভানেত্রীর পদ থেকে চন্দ্রিমা ভট্টাচার্যের ইস্তফার পর দলের সাংগঠনিক দায়িত্ব নিজের হাতে তুলে নিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। শনিবার ফেসবুক লাইভে তিনি ঘোষণা করেন, আপাতত তিনিই দলের রাজ্য সভানেত্রীর দায়িত্ব পালন করবেন। পাশাপাশি সংগঠনের কাজে তাঁকে সাহায্য করতে দলের দুই নতুন সাধারণ সম্পাদক হিসেবে মদন মিত্র ও কুণাল ঘোষের নাম ঘোষণা করা হয়েছে।

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, “কে দল ছেড়ে গেল, তাতে কিছু যায় আসে না। আমি নেতা চাই না, সাধারণ কর্মী চাই।

দলের রাজ্য সংগঠন এখন আমি নিজেই চালাব। সারাদিন দলটাই দেখব। প্রতিদিনই পার্টি অফিসে বসি, কর্মীদের সঙ্গে দেখা করি। এবার থেকে আরও বেশি সময় দেব।”

শুক্রবার মেট্রোপলিটনের দলীয় কার্যালয় ঘিরে তৈরি হওয়া বিতর্কের পরই নতুন করে অস্বস্তিতে পড়ে তৃণমূল।

অভিযোগ, ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে একাংশ নেতা-কর্মী কার্যালয়ের দখল নেন এবং সেখানে তালা ঝুলিয়ে দেওয়া হয়। সেই সময় রাজ্য সভানেত্রী হিসেবে চন্দ্রিমা ভট্টাচার্যের উপস্থিত না থাকা নিয়ে প্রশ্ন ওঠে দলের অন্দরে। পরে ঘটনার ব্যাখ্যা চেয়ে তাঁর সঙ্গে কথা বলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

এরপরই শনিবার সমস্ত সাংগঠনিক পদ থেকে ইস্তফার ঘোষণা করেন চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য। তাঁর দাবি, আনুগত্য নিয়ে প্রশ্ন তোলায় তিনি মর্মাহত হয়েছেন এবং সেই কারণেই পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।

চন্দ্রিমার ইস্তফার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই কালীঘাটের দলীয় কার্যালয় থেকে সরাসরি সংগঠনে রদবদলের ঘোষণা করেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।