পুবের কলম,ওয়েবডেস্ক: ইন্ডিয়া: দ্য মোদি কোশ্চেন। এ  বছরের জানুয়ারি মাসে বিবিসির এই তথ্যচিত্র নিয়ে তীব্র বিতর্ক ছড়িয়েছিল দেশে। মোদিকে গুজরাত দাঙ্গার সঙ্গে জড়িয়ে তার চরিত্রকে কামিালিপ্ত করা হচ্ছে, এই অভিযোগে দেশজুড়ে এটি নিষিদ্ধ হয়। পরবর্তীতে এরই অভিঘাতস্বরূপ বিবিসির দিল্লি-মুম্বই অফিসে আয়কর হানা দেওয়া হয়। কিন্তু তারপরও ডিজিটাল মাধ্যম থেকে মুছে ফেলা যায়নি এই ‘ঐতিহাসিক তথ্যচিত্র’।
বহু মানুষ এটি দেখেছেন। বুঝেছেন গুজরাত দাঙ্গা ও হিন্দুত্ববাদের  নীলনকশা। তাই বিবিসি ও এই ডকুমেন্টারির উপর আরও ‘অ্যাকশন’ চায় বিজেপি। সেই দাবিতে গোয়া বিধানসভায় একটি প্রস্তাব পাশ হয়েছে শুক্রবার। এক বিজেপি বিধায়ক এই প্রস্তাবটি পেশ করেছিলেন।
ওই বিধায়ক কৃষ্ণ সরকারের দাবি, বিবিসির ডকুমেন্টারিতে ২০০২ সালের দাঙ্গার ঘটনাকে ভুলভাবে উপস্থাপিত করা হয়েছে। বিশ্বে ভারতের মর্যাদাকে খাটো করতেই এমন উদ্যোগ। এ ধরনের মত প্রকাশের স্বাধীনতা আমরা সহ্য করব না। ভারত সরকারের বিরুদ্ধে বিবিসি গোপন এজেন্ডা নিয়ে কাজ বলেও তিনি অভিযোগ তোলেন।

বিধানসভায় বিরোধী দলনেতা ইউরি আলেমাও এই প্রস্তাবের বিরুদ্ধে সরব হয়েছিলেন।
তিনি বলেন, ডকুমেন্টারিটি দেশে নিষিদ্ধ। ভিডিয়ো পাওয়া যায় না। এর মধ্যে দেশের কোনও স্বার্থও জড়িত নেই। এমন বিষয় নিয়ে প্রস্তাব পেশ করার পক্ষে কোনও যুক্তি নেই। আরেক কংগ্রেস নেতা কারলস ফেরেইরা এর বিরুদ্ধে সোচ্চার হন। তবে কংগ্রেসের বিরোধিতা সত্ত্বেও শাসক বিজেপির সমর্থনে প্রস্তাবটি পাশ হয়।

তথ্যচিত্রের মাধ্যমে বিবিসি সারা বিশ্বে ভারতের প্রধানমন্ত্রী মোদির চরিত্রকে ‘উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে’ কালিমালিপ্ত করতে চায়। ভারতের জনতা যাতে সেই প্রামাণ্যচিত্র না দেখতে পারে তার জন্য ইউটিউব, টুইটারের মতো সোশ্যাল সাইটগুলিকে ব্যবস্থা নিতে নির্দেশ দিয়েছিল মোদি সরকার।