নয়াদিল্লি, ১৩ ফেব্রুয়ারি: কৃষক আন্দোলনে ফের উত্তাল দিল্লি সীমানা৷ অবরুদ্ধ করে দেওয়া হল দিল্লি প্রবেশে রাস্তা৷ নূন্যতম সহায়ক মূল্যের দাবিতে কৃষক আন্দোলন ঠেকাতে মাঠে নেমেছে অমিত শাহের পুলিশ। বিক্ষোভ দমন করতে কার্যত ‘আয়রন হ্যান্ড’ পলিসি নিয়েছে কেন্দ্রের নরেন্দ্র মোদি সরকার। মিছিলে চালানো হয়েছে লাঠি, ড্রোন থেকে ছোড়া হচ্ছে কাঁদানে গ্যাস। কৃষকদের উপর নৃশংস অত্যাচার মোদি সরকারের বিরুদ্ধে সরব হলেন কৃষক আন্দোলনের নেতা। তাঁদের কথায়, "যে দেশে কৃষকদের উপর নৃশংস অত্যাচার করা হয়।

সেই সরকারকে ক্ষমতায় রাখা রাখা উচিত কিনা, তা ভেবে দেখা উচিত জনগণের।"

মঙ্গলবার কিষান মজদুর সংগ্রাম কমিটি সাধারণ সম্পাদক সারওয়ান সিং পান্ধের বলেন, "আমরা দেশের প্রধানমন্ত্রীকে বলতে চাই, আমরা এই দেশের কৃষক ও খেতমজদুর। আমরা সরকারের সঙ্গে লড়াই করতে চাই না। আমরা এমএসপি গ্যারান্টি আইন চাই। স্বামীনাথন কমিশনের রিপোর্ট বাস্তবায়নের কথা বলেছিল সরকার।

সেই দাবি পূরণ করেনি তারা।" কেন্দ্রের বিরুদ্ধে সরব হয়ে পান্ধের বলেন, "কৃষক ঋীণ নিয়ে কথা বলেছি। তারা বলেছে কমিটি ঠিক করবে। দেশ জানে কৃষকদের উপর ঋীণের বোঝা কতটা রয়েছে। কৃষকদের ঋীণ পরিশোধ নিয়েও সরকার চুপ।
"

 

কৃষকদের 'দিল্লি চলো' আন্দোলনে যোগ দিতে আসা একাধিক কৃষকদের গ্রেফতার করা হয়েছে। মূলত মহারাষ্ট্র, মধ্যপ্রদেশ ও ওড়িশায় বেশি সংখ্যক গ্রেফতার করা হয়েছে বলে সরব হন তিনি। তাঁর বক্তব্য, "আমরা চাই আলোচনায় বসে সমস্যা সমাধান করতে। আমাদের কথা কেও শোনেনি। আমরা বাধ্য হয়ে আন্দোলনের পথ বেঁছে নিয়েছি।" কৃষক নেতা আরও বলেন, "আমাদের একশোর উপর কৃষক গুরুতর জখম হয়েছে। পুলিশ যে ধরণের অস্ত্র ব্যবহার করছে, আঘাত হানছে, সেগুলো করা যায় না। গণতান্ত্রিক দেশে কিভাবে কৃষকদের উপর নৃশংস অত্যাচার করা হচ্ছে তা জনগণ দেখছে।"