দু’বছর আগের ফাইনালের হারের মধুর প্রতিশোধ নিল ভারত। ডাম্বুলায় ২০২৪ সালের ফাইনালে শ্রীলঙ্কার কাছে হারের পর রবিবার দুবাই আন্তর্জাতিক স্টেডিয়ামে সেই ক্ষতে মলম দিল হরমনপ্রীত কাউরের দল। শ্রীলঙ্কাকে ৭২ রানে হারিয়ে ফের মহিলাদের এশিয়া কাপের চ্যাম্পিয়ন হল ভারত। এই নিয়ে অষ্টমবার ট্রফি জিতে নিজেদের রেকর্ড আরও সমৃদ্ধ করল টিম ইন্ডিয়া।
আরও পড়ুন:
টস জিতে প্রথমে ব্যাট করে ভারত ৫ উইকেটে ১৮৩ রান তোলে। দলের বড় রানের ভিত গড়ে দেন দুই ওপেনার শেফালি ভার্মা ও স্মৃতি মান্ধানা।
মাত্র ৩৯ বলে ৬৮ রানের ঝোড়ো ইনিংস খেলেন শেফালি। তাঁর ব্যাট থেকে আসে ৯টি চার ও ২টি ছক্কা। স্মৃতি ৩৯ বলে করেন ৫৯ রান, মারেন ৫টি চার ও ৩টি ছক্কা। প্রথম উইকেটে দু’জনে যোগ করেন ১২৯ রান। পাওয়ার প্লেতেই ওঠে ৫৭ রান। মাত্র ২৪ বলে অর্ধশতরান পূর্ণ করেন শেফালি, যা চলতি প্রতিযোগিতায় তাঁর তৃতীয় হাফ-সেঞ্চুরি।আরও পড়ুন:
তবে ওপেনারদের দুরন্ত শুরু কাজে লাগিয়ে ২০০ রানের কাছাকাছি পৌঁছতে পারেনি ভারত। মিডল অর্ডারে হরমনপ্রীত (১৪), রিচা ঘোষ (১৭) ও দীপ্তি শর্মা (৫) দ্রুত ফিরে যান। ১৬০ থেকে ১৬৭—মাত্র সাত রানের মধ্যে তিন উইকেট হারায় ভারত। শেষ দিকে গুনালান কমলিনীর ৫ বলে অপরাজিত ১৫ রানের ঝোড়ো ইনিংসে ১৮৩ রানে পৌঁছয় ভারত।
আরও পড়ুন:
জবাবে ১৮৪ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরু থেকেই চাপে পড়ে শ্রীলঙ্কা। চামারি আটাপাট্টু ৩৬, নীলাক্ষিকা সিলভা ২২ এবং ভিশমি গুনরত্নে ২০ রান করলেও বাকিরা কেউ দুই অঙ্কে পৌঁছতে পারেননি।
ভারতীয় স্পিনার শ্রী চরণি ৪টি উইকেট নেন ২০ রানে, দীপ্তি শর্মা ৩ উইকেট নেন ১৯ রান দিয়ে। ব্যাট হাতে অর্ধশতরানের পর বল হাতেও সফল শেফালি নেন ১ উইকেট।শেষ পর্যন্ত ১১১ রানেই গুটিয়ে যায় শ্রীলঙ্কা। যদিও ভারতের ফিল্ডিংয়ে একাধিক ক্যাচ মিস হয়েছে। তা না হলে লঙ্কার ইনিংস আরও আগেই শেষ হয়ে যেতে পারত। এই প্রতিযোগিতায় দীপ্তির উইকেটসংখ্যা দাঁড়াল ১৪।
তবে ম্যাচের শেষে অন্যরকম ছবি দেখা যায়। এশিয়ান ক্রিকেট কাউন্সিলের প্রেসিডেন্ট মহসিন নাকভির কাছ থেকে ট্রফি নেননি ভারতীয় দলের সদস্যরা। ট্রফি না নিয়েই ড্রেসিংরুমে ফিরে যায় চ্যাম্পিয়ন ভারত।