পুবের কলম, ওয়েবডেস্ক: সরকারি চাকরি ও শিক্ষা ক্ষেত্রে মারাঠা সম্প্রদায়ের জন্য সংরক্ষণের দাবিতে আবারও বড়সড় আন্দোলনের রূপরেখা ঘোষণা করলেন মারাঠা আন্দোলনকারী নেতা মনোজ জারাঙ্গে। অন্তর্বালি সরাটি গ্রামে তাঁর আন্দোলনের ১৫তম দিনে আয়োজিত এক সাংবাদিক সম্মেলনে তিনি জানান, আগামী ১৯ সেপ্টেম্বর সকাল ১০টা থেকে মুম্বাইয়ের ঐতিহাসিক আজাদ ময়দানে সমর্থকদের সঙ্গে নিয়ে তিনি অনির্দিষ্টকালের জন্য আমরণ অনশন শুরু করবেন। আগামী ১৪ থেকে ২৫ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত মহারাষ্ট্র জুড়ে গণেশ উৎসব উদযাপন করা হবে। সেই উৎসবের আবহেই ১৫ সেপ্টেম্বর থেকে জারাঙ্গে তাঁর অনুগামীদের নিয়ে মুম্বাই অভিমুখে পদযাত্রা শুরু করবেন। শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানিয়ে জারাঙ্গে বলেন, "সংরক্ষণ না নিয়ে আমরা মুম্বাই থেকে ফিরব না।
তবে আন্দোলন হতে হবে সম্পূর্ণ গণতান্ত্রিক ও শান্তিপূর্ণ।"আরও পড়ুন:
অনুগামীদের প্রতি তাঁর কড়া বার্তা, কোনো অবস্থাতেই পাথর ছোড়া, ভাঙচুর বা অগ্নিসংযোগ করা যাবে না। গাড়ি চালানোর সময় নিয়ম এবং আন্দোলনের আচরণবিধি কঠোরভাবে মেনে চলতে হবে। মুখ্যমন্ত্রী দেবেন্দ্র ফড়নবিসের প্রতি আবেদন জানিয়ে তিনি বলেন, পুলিশ যেন ব্যারিকেড দিয়ে আন্দোলনকারীদের না আটকায়। যদি ব্যারিকেড দেওয়াও হয়, তবে তা না ভেঙে রাস্তার ওপরই শান্ত হয়ে বসে পড়তে হবে এবং বিকল্প পথে গন্তব্যে পৌঁছাতে হবে।
আন্দোলন বাধাগ্রস্ত হলে তার দায়ভার মুখ্যমন্ত্রীকেই নিতে হবে।আরও পড়ুন:
রাজ্য সরকারের প্রতি ক্ষোভ প্রকাশ করে তিনি অভিযোগ করেন, ৫৮ লাখ কুনবি রেকর্ড থাকা সত্ত্বেও সরকার গেজেট সংক্রান্ত দাবি ও জাতিগত শংসাপত্র প্রদানে ব্যর্থ। মহালক্ষ্মী পূজার পর নারীদের এই আন্দোলনে যোগ দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, মুখ্যমন্ত্রী দেবেন্দ্র ফড়নবিসের স্ত্রী অমৃতা ফড়নবিস এবং উপ-মুখ্যমন্ত্রী একনাথ শিন্ডের স্ত্রী লতা শিন্ডের বাসভবনে গিয়ে ঐতিহ্যবাহী 'হলদি-কুমকুম' অনুষ্ঠানের মাধ্যমে শান্তির বার্তা দিয়ে দাবি পেশ করতে হবে। মারাঠা আন্দোলনকারী নেতা সাফ জানান, "সংরক্ষণ ছিনিয়ে নেওয়ার এটিই আমাদের শেষ লড়াই। এই লড়াইয়ে কোনো মারাঠাই যেন ঘরে বসে না থাকেন।"