পুবের কলম,ওয়েবডেস্ক: নয়া ভারতে ‘মত প্রকাশের স্বাধীনতা’ শব্দবন্ধটি আজ বিপন্ন। তাই তো, আসন্ন  নির্বাচনে শিক্ষিত প্রার্থীদের ভোট দেওয়ার পরামর্শ দেওয়ায় চাকরিচ্যুত হয়েছে এক শিক্ষক। দিল্লির এডু-টেক প্ল্যাটফর্ম আনঅ্যাকাডেমির শিক্ষক করণ সংওয়ানকে বরখাস্ত করার পর থেকেই নিন্দার ঝড় বইছে সর্বত্র। তবে আনঅ্যাকাডেমির-এই সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছেন বিজেপিপন্থীরা। বিশ্ব হিন্দু পরিষদের সদস্য ড. প্রাচী সাধ্বী এক্স-এ (পূর্বতন ট্যুইটার) বলেছেন , জাতীয়তাবাদী বিরোধী শিক্ষক’কে বহিষ্কার করে সঠিক সিদ্ধান্ত নিয়েছে আনঅ্যাকাডেমি।

https://twitter.com/Cow__Momma/status/1692173871670349825?ref_src=twsrc%5Etfw%7Ctwcamp%5Etweetembed%7Ctwterm%5E1692173871670349825%7Ctwgr%5E502a724e81e8c2257ea2a7ebfb26a69899bfcba1%7Ctwcon%5Es1_c10&ref_url=https%3A%2F%2Ftheprint.in%2Findia%2Fvote-for-educated-person-how-a-video-turned-unacademy-teacher-karan-sangwans-life-upside-down%2F1721623%2F

ঘটনার পর সংশ্লিষ্ট সংস্থার সহ-প্রতিষ্ঠাতা রোমান সাইনির বক্তব্য, করণ সাংওয়ান আচরণবিধি লঙ্ঘন করেছিলেন। ফলস্বরূপ কোম্পানি তাঁকে বরখাস্ত করেছে। তিনি এদিন আরও বলেন, তাঁদের ইনস্টিটিউটে শুধু পড়ানোর দিকেই মন দিতে বলা হয়েছে। কোনওরকম রাজনৈতিক মতামত, ব্যক্তিগত মতাদর্শ দিয়ে ছাত্রছাত্রীদের প্রভাবিত করা যাবে না।
‘শিক্ষক বরখাস্ত’ ঘটনার তীব্র নিন্দা করেছেন কংগ্রেসের মুখপাত্র  সুপ্রিয়া শ্রীনাতে।

সেই সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে আনঅ্যাকাডেমির প্রতিষ্ঠাতা গৌরব মুঞ্জালের একটি সেলফি শেয়ার করেছেন তিনি। দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ  কেজরিওয়াল বলেছেন, শিক্ষিত লোকদের ভোট দেওয়ার আবেদন করা কি অপরাধ? কেউ নিরক্ষর হলেও ব্যক্তিগতভাবে তাঁকে সম্মান করি। কিন্তু জনপ্রতিনিধিরা নিরক্ষর হতে পারেন না।
এটা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির যুগ।

https://twitter.com/RomanSaini/status/1692214935168925849?ref_src=twsrc%5Etfw%7Ctwcamp%5Etweetembed%7Ctwterm%5E1692214935168925849%7Ctwgr%5E502a724e81e8c2257ea2a7ebfb26a69899bfcba1%7Ctwcon%5Es1_c10&ref_url=https%3A%2F%2Ftheprint.in%2Findia%2Fvote-for-educated-person-how-a-video-turned-unacademy-teacher-karan-sangwans-life-upside-down%2F1721623%2F

নিরক্ষর জনপ্রতিনিধিরা কখনই একবিংশ শতাব্দীর আধুনিক ভারত গড়তে পারে না। ঘটনার প্রেক্ষিতে করণ সংবাদমাধ্যমে বলেন, আমি কোনও বিশেষ রাজনৈতিক দলকে কটাক্ষ করে কথাটা বলিনি। আমি সাধারণ একটা কথা বলেছিলাম। সেটা এত বড় রাজনৈতিক রূপ ধারণ করবে তা আমার ভাবনাতীত। তবে এক বিশেষ দলের চাপের মুখে পড়ে আমাকে কাজ থেকে বরখাস্ত করা হয়েছে, এটা আমি বুঝেছি।