পুবের কলম,ওয়েবডেস্ক: প্রেমে যদি মজে মন... । প্রেমের কাছে সমস্ত বাধাই যে তুচ্ছ, তা আর বলার জো নেই। প্রেমের টানে সাড়া দিয়ে স্বামী-সন্তান ছেড়ে পাকিস্তানে যাওয়া রাজস্থানের বধূ অঞ্জুর কথা কমবেশি সকলেই জানে। ফের একই ঘটনা ঘটল মরুরাজ্যে। এবার প্রেমিকের হাত ধরে সটান কুয়েতে ভাগল বা রাজ্যের আর এক বধূ। নাম দীপিকা (বর্তমানে নাজিরা)।

জানা গেছে, রাজস্থানের দুঙ্গারপুর জেলার বাসিন্দা দীপিকা পাতিদার।
স্বামী ও দুই সন্তান নিয়ে সংসার ছিল তার। তবে সেই বিয়ে যে খুব একটা সুখের ছিল না বলেই দাবি দীপিকার। নানাবিধ কুকর্মের শিকার হতে হয়েছিল তাঁকে। এমন সময় সোশ্যাল সাইটে ইরফানের সঙ্গে মন বিনিময় হয় তার। সেই প্রেমের টানেই বাড়ি ছাড়েন মহিলা।

এদিন সংবাদমাধ্যমের এক সাক্ষাৎকারে দীপিকা জানান, দুচোখে রঙিন স্বপ্ন নিয়ে মেয়েরা বিয়ের পিড়িতে বসে। তবে বহু ক্ষেত্রেই তারা অবহেলার শিকার হয়।
আমি স্বামীর সংসার করছিলাম। ভালোই ছিলাম। তারপর এল সেই বিভীষিকাময় রাত। বিয়ের কিছুদিন পর থেকে আমার শ্বশুর নোংরা ভাবে স্পর্শ করতে শুরু করেন আমাকে। স্বামী না থাকলে আমার সঙ্গে ধর্ষণের চেষ্টা করতেন। তাঁকে সব কথা খুলে বলেও কোনও সুরাহা হয়নি। তারপর আমার জীবনে আসেন  ইরফান।
মাস খানেক আমাদের মধ্যে কথাবার্তা হয় সোশ্যাল সাইটে । সবটা তাঁকে খুলে বলি। সে আমার প্রতি সহানুভূতি দেখায়। আমরা বিয়ের সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম নিজেদের মধ্যে কথা বলেই ।

এদিকে বেশ কয়েকদিন ধরে দীপিকার খোঁজ না মেলায় পুলিশের কাছে নিখোঁজ ডায়েরি করেন তার স্বামী। পুলিশকে জানান, মাস খানেক আগেই টাকা ও গয়না নিয়ে বাড়ি ছেড়ে পালিয়ে গেছেন তাঁর স্ত্রী। কিন্তু তখনও তিনি জানতে পারেননি কোথায় গেছেন দীপিকা। মাস খানেক পর সোশ্যাল মিডিয়ায় একটা ছবি দেখে দীপিকার খোঁজ পান তাঁর স্বামী।