পুবের কলম, ওয়েবডেস্ক: মণিপুরে দুই কুকি উপজাতির মহিলাকে গণধর্ষণ করে প্যারেড করানোর ঘটনায় পাঁচজন পুলিশ আধিকারিককে সাসপেন্ড করা হল। গত ৪ মে এই ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে এই সাসপেন্ড করা হয়েছে বলে জানা গেছে। রবিবার কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, মণিপুর পুলিশ ওই এলাকার স্টেশন ইনচার্জ সহ পাঁচজন পুলিশ কর্মীকে বরখাস্ত করেছে। গত ৪ মে দুই মহিলাকে অপহরণ নগ্ন করে হাঁটানোর অভিযোগ উঠেছিল।
আরও পড়ুন:
কর্মকর্তারা বলেছেন যে ১৯ জুলাই ঘটনার ভিডিও প্রকাশের পরপরই, মণিপুর পুলিশ থৌবাল জেলার নংপোক সেকমাই থানার স্টেশন ইনচার্জ এবং আরও চার পুলিশ কর্মীকে বরখাস্ত করার সিদ্ধান্ত নেয়। এর পাশাপাশি রাজ্য পুলিশ বিষ্ণুপুরে ৩ আগস্ট একটি অস্ত্রাগার লুটপাটের ঘটনা তদন্তের জন্য পুলিশের ইন্সপেক্টর জেনারেলের অধীন একটি তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন।
আরও পড়ুন:
এক পুলিশ আধিকারিক জানিয়েছেন, গত ৩ মে থেকে কুকি ও মেইতেইদের মধ্যে চলা সংহিসতার ঘটনা নিয়ন্ত্রণে পুলিশ যথাসাধ্য চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। সেইসঙ্গে রয়েছে অসম রাইফেলস, সেনা, ছাড়াও অন্যান্য তদন্তকারি সংস্থা।
এটি কৃষিকাজের মরশুম, তাই আমরা পুরোপুরি শান্তি ফেরার জন্য অপেক্ষা করতে পারি না। আমরা চাইছি মণিপুরে পাহাড়ের পাদদেশে কালো চালের উৎপাদন আবার শুরু হোক'। এখনও পর্যন্ত প্রায় তিনমাস ধরে চলা সংহিসতার ঘটনায় বিভিন্ন মামলায় ৩০০ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। জিরো এফআইআরও দায়ের হয়েছে। প্রতিটি দাবিকে ক্রশ চেক করা হবে। কর্মকর্তারা আরও জানিয়েছেন, আইআরবি'র দফতর থেকে ১৯ হাজার বুলেট লুটের ঘটনাতেও তদন্ত শুরু হয়েছে।আরও পড়ুন: