০৮ মার্চ ২০২৬, রবিবার, ২৩ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ত্রাণ নিয়ে অসমে উচ্ছিন্ন মানুষদের কাছে মুসলিম প্রতিনিধি দল

পুবের কলম, ওয়েবডেস্কঃ অসমের দারাং জেলায় সংখ্যালঘু বাঙালি মুসলিমদের জোর করে উচ্ছেদ করার চেষ্টা করা হয়েছে এবং নিরস্ত্রদের মানুষের উপর পুলিশ গুলি চালানোয় দু’জন মারা গিয়েছে। বহু পরিবার এখন বাস্তুছাড়া। মঙ্গলবার নিহতদের পরিবারের সঙ্গে দেখা করতে গেল জমিয়েত উলেমায়ে হিন্দ ও জামাতে ইসলামি হিন্দের যুগ্ম প্রতিনিধি দল। বিশেষত ৩৭ বছর বয়সী মইনুল হক যিনি পুলিশের গুলিতে নিহত হয়েছেন তাঁর পরিবার, সন্তান ও বিধবা স্ত্রীর সঙ্গে দেখা করে এই প্রতিনিধি দল। এই মইনুল হকের মৃতদেহকেই আঘাত করছিল পুলিশ এবং এক যুবক লাফালাফি করছিল তাঁর বুকের উপর। সাক্ষাতের সময় প্রতিনিধিদের চোখ জলে ভরে যায়। জামিয়াত উলেমা অসমের সভাপতি মাওলানা বদরুদ্দিন আজমল ও আজমল ফাউন্ডেশনের পক্ষ থেকে নিহতদের পরিবার পিছু ২ লক্ষ টাকা করে দেওয়া হয়। একই ভাবে ১৪ বছরের শেখ ফরিদের বাবাকেও ২ লক্ষ টাকা দেয় জমিয়াত। এরই সঙ্গে ৯০০ পরিবারের সবাইকে খাবারের ব্যাগ দেওয়া হয়। আক্রান্ত পরিবারগুলির মধ্যে বিলি করা হয় ৯০০ তাঁবু ও ২০০ নলকূপ। জামাতে ইসলামি হিন্দ একটি মেডিকেল ক্যাম্পেরও আয়োজন করেছিল। এই প্রতিনিধি দলে ছিলেন জামাতে ইসলাই হিন্দের সহ-সভাপতি আমিন আল হাসান ও সেক্রেটারি মুহম্মদ শফি মাদানি।

সর্বধিক পাঠিত

হরমুজ প্রণালী খোলা, তবে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও তার মিত্রদের জন্য নয় : ইরান

Copyright © Puber Kalom All rights reserved.| Developed by eTech Builder

ত্রাণ নিয়ে অসমে উচ্ছিন্ন মানুষদের কাছে মুসলিম প্রতিনিধি দল

আপডেট : ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২১, বুধবার

পুবের কলম, ওয়েবডেস্কঃ অসমের দারাং জেলায় সংখ্যালঘু বাঙালি মুসলিমদের জোর করে উচ্ছেদ করার চেষ্টা করা হয়েছে এবং নিরস্ত্রদের মানুষের উপর পুলিশ গুলি চালানোয় দু’জন মারা গিয়েছে। বহু পরিবার এখন বাস্তুছাড়া। মঙ্গলবার নিহতদের পরিবারের সঙ্গে দেখা করতে গেল জমিয়েত উলেমায়ে হিন্দ ও জামাতে ইসলামি হিন্দের যুগ্ম প্রতিনিধি দল। বিশেষত ৩৭ বছর বয়সী মইনুল হক যিনি পুলিশের গুলিতে নিহত হয়েছেন তাঁর পরিবার, সন্তান ও বিধবা স্ত্রীর সঙ্গে দেখা করে এই প্রতিনিধি দল। এই মইনুল হকের মৃতদেহকেই আঘাত করছিল পুলিশ এবং এক যুবক লাফালাফি করছিল তাঁর বুকের উপর। সাক্ষাতের সময় প্রতিনিধিদের চোখ জলে ভরে যায়। জামিয়াত উলেমা অসমের সভাপতি মাওলানা বদরুদ্দিন আজমল ও আজমল ফাউন্ডেশনের পক্ষ থেকে নিহতদের পরিবার পিছু ২ লক্ষ টাকা করে দেওয়া হয়। একই ভাবে ১৪ বছরের শেখ ফরিদের বাবাকেও ২ লক্ষ টাকা দেয় জমিয়াত। এরই সঙ্গে ৯০০ পরিবারের সবাইকে খাবারের ব্যাগ দেওয়া হয়। আক্রান্ত পরিবারগুলির মধ্যে বিলি করা হয় ৯০০ তাঁবু ও ২০০ নলকূপ। জামাতে ইসলামি হিন্দ একটি মেডিকেল ক্যাম্পেরও আয়োজন করেছিল। এই প্রতিনিধি দলে ছিলেন জামাতে ইসলাই হিন্দের সহ-সভাপতি আমিন আল হাসান ও সেক্রেটারি মুহম্মদ শফি মাদানি।