পুবের কলম, ওয়েবডেস্ক: নির্বাচন কমিশনের অভ্যন্তরীণ মতভেদের খবর প্রকাশ্যে আসার পর এবার মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের অবিলম্বে পদত্যাগ দাবি করলেন বিজু জনতা দল সভাপতি তথা ওড়িশার প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী নবীন পট্টনায়ক। সেই সঙ্গে রাজ্যে হওয়া ভোটার তালিকা নিবিড় সংশোধন প্রক্রিয়াটি পুনরায় পর্যালোচনা করার জোর দাবি জানিয়েছেন তিনি।
আরও পড়ুন:
শুক্রবার বিধানসভার বাইরে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে নবীন পট্টনায়ক বলেন, "নির্বাচন কমিশনারদের সঙ্গে মুখ্য নির্বাচন কমিশনারের তীব্র মতভেদের বিষয়টি অত্যন্ত উদ্বেগজনক। এই পরিস্থিতিতে সিইসি-র অবিলম্বে পদত্যাগ করা উচিত এবং সমগ্র এসআইআর প্রক্রিয়াটি পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে পুনর্মূল্যায়ন করা প্রয়োজন।
"আরও পড়ুন:
বিজেডি-র শীর্ষ নেতৃত্ব অভিযোগ করেছে, ওড়িশায় এসআইআর চলাকালীন মারাত্মক অনিয়ম হয়েছে। বিজেডি মুখপাত্র লেনিন মহান্তি দাবি করেন, বিজেপির নির্দেশে রাজ্যে প্রায় ২৭.৫০ লক্ষ যোগ্য ভোটারের নাম তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে। বিজেডির বর্ষীয়ান সাধারণ সম্পাদক ভৃগু বক্সিপাত্র অভিযোগ তোলেন, রাজ্য ও কেন্দ্রের ‘ডাবল ইঞ্জিন’ সরকারের ইশারায় পুরো প্রক্রিয়াটিকে রাজনৈতিক স্বার্থে ব্যবহার করা হয়েছে। ফলে সিইসি পদে বহাল থাকার নৈতিক অধিকার জ্ঞানেশ কুমার হারিয়েছেন।
প্রয়োজনে এই ইস্যুতে রাস্তায় নেমে আন্দোলন করার হুঁশিয়ারিও দিয়েছে দলটি।আরও পড়ুন:
বিজেডি-র এই বিস্ফোরক দাবির জবাব দিতে দেরি করেনি ক্ষমতাসীন বিজেপি। ওড়িশা রাজ্য বিজেপির সাধারণ সম্পাদক বিরঞ্চি নারায়ণ ত্রিপাঠী পালটা আক্রমণ করে বলেন, নির্বাচনে হেরে গিয়ে বিভ্রান্তি ছড়ানোর চেষ্টা করছে বিজেডি এবং কংগ্রেস। বিজেপি নেতা ত্রিপাঠী বলেন, "এসআইআর প্রক্রিয়া চলাকালীন সুপ্রিম কোর্টে একাধিক মামলা হয়েছিল এবং দেশের সর্বোচ্চ আদালত এই প্রক্রিয়াকে সম্পূর্ণ বৈধ ঘোষণা করেছে। ওড়িশায় প্রায় ৬-৭ মাস ধরে এই কাজ চলল, তখন বিজু জনতা দল বা কংগ্রেস কোনো লিখিত অভিযোগ জানায়নি কেন? প্রমাণ থাকলে মিডিয়াতে না বলে তাদের কোর্টে যাওয়া উচিত।"