পুবের কলম ওয়েব ডেস্ক: শিক্ষাবিদ ও সমাজকর্মী সোনম ওয়াংচুক। রবিবার তাঁর স্ত্রী গীতাঞ্জলি জে আংমোর মাধ্যমে এই চিঠি প্রকাশ্যে আনা হয়। চিঠিতে তিনি সোমবার, অর্থাৎ ২০ জুলাই ককরোচ জনতা পার্টির ডাকা সংসদ ভবন অভিযান সফল করার জন্য সাধারণ মানুষের কাছে আবেদন জানিয়েছেন। এই আন্দোলনকে তিনি ভারতের দ্বিতীয় স্বাধীনতা আন্দোলন হিসেবে আখ্যা দিয়েছেন।
আরও পড়ুন:
আট লাইনের ওই চিঠিতে সোনম মূলত ভয় এবং অন্যায়মুক্ত ভারতের ডাক দিয়েছেন।
অবিচার ও ভয়ের উদাহরণ হিসেবে তিনি যথাক্রমে প্রশ্নপত্র ফাঁস এবং তাঁকে বেআইনিভাবে আটকে রাখার কথা উল্লেখ করেছেন। শনিবার যন্তর মন্তরের বিক্ষোভস্থল থেকে সাদা পোশাকের পুলিশ তাঁকে তুলে হাসপাতালে ভর্তি করলেও তিনি অনশন প্রত্যাহার করেননি। তাঁর স্ত্রীর কথায়, সোনম মিষ্টি জাতীয় কিছুই খাচ্ছেন না, কেবল নুনজল পান করে অনশন চালিয়ে যাচ্ছেন। টানা অনশনের কারণে তাঁর শরীর দুর্বল হলেও মানসিক জোর আগের মতোই অটুট রয়েছে।আরও পড়ুন:
শিক্ষা ক্ষেত্রে দুর্নীতি এবং কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের দাবিতে গত ২৮ জুন থেকে এই অনশন শুরু করেছেন সোনম ওয়াংচুক।
দিল্লি হাই কোর্ট তাঁর স্বাস্থ্যের দিকে নজর রাখার নির্দেশ দিলেও পরিবারের অভিযোগ, তাঁকে জোর করে বেআইনিভাবে হাসপাতালে আটকে রাখা হয়েছে এবং যথাযথ চিকিৎসাও হচ্ছে না। যদিও হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের পালটা দাবি, সোনম চিকিৎসায় একেবারেই সহযোগিতা করছেন না। এই পরিস্থিতিতে স্ত্রী গীতাঞ্জলি তাঁকে অন্য হাসপাতালে স্থানান্তরিত করার দাবি জানিয়েছেন।আরও পড়ুন:
অন্যদিকে, সোনমকে যন্তর মন্তর থেকে সরিয়ে দেওয়ার পর সেখানে নতুন করে অনশনে বসেছেন ককরোচ জনতা পার্টির প্রধান অভিজিৎ দীপকে। সোমবার তাঁদের পূর্বনির্ধারিত সংসদ ভবন অভিযানের প্রস্তুতি চলছে জোরকদমে। যদিও দিল্লি পুলিশের তরফ থেকে এখনও পর্যন্ত এই কর্মসূচির জন্য কোনও আনুষ্ঠানিক অনুমতি দেওয়া হয়নি।