পুবের কলম প্রতিবেদক: পঞ্চায়েত নির্বাচনে সারা দিন মনিটারিং  করলেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। হাঁটুতে  অস্ত্রোপচারের পরও তৃণমূল সুপ্রিমো কালীঘাটের বাড়ি থেকেই পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করলেন তিনি।

নির্বাচনের সময় যাতে কোনও হিংসার ঘটনা না ঘটে এবং দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া যায় তার জন্য তৃণমূল কংগ্রেসের পক্ষ থেকে কন্ট্রোল রুম খোলা হয়েছে।

 দলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় সকাল থেকেই কন্ট্রোল রুমে চোখ রেখেছেন। নির্বাচন চলাকালীন প্রত্যেক জেলার চিত্র যাতে প্রতি মুহূর্তে আসতে থাকে তার ব্যবস্থাই করা হয়েছে।

এদিকে ইতিমধ্যেই কেন্দ্রীয় বাহিনী বুথে বুথে পৌঁছে যায়। বিরোধীরা কোথাও গণ্ডগোল করার চেষ্টা করলে দ্রুত সেই খবর রাজ্য নির্বাচন কমিশন এবং পুলিশকে জানানো হয়। আর একই সঙ্গে প্রত্যেক জেলার নেতা,কর্মীদের নির্দেশ দেওয়া হয়, বিজেপি থেকে আইএসএফ সকলের কাজকর্মের দিকে সতর্ক দৃষ্টি রাখতে বলা হয়। কোনও প্ররোচনায় পা দেওয়া যাবে না বলেও দলের নির্দেশ ছিল।

অন্যদিকে এই তপ্ত পরিবেশেই আজ শুরু হয়েছে পঞ্চায়েত নির্বাচন।
তৃণমূল কংগ্রেস রাজ্য সাধারণ সম্পাদক কুণাল ঘোষ সংবাদমাধ্যমে বলেন, ‘পঞ্চায়েত নির্বাচন হোক গণতান্ত্রিক পথে। উৎসবের মেজাজে সকলে ভোট দিন। প্রশাসন সবাইকে সাহায্য করবেন।

 রাজ্যজুড়ে মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়েছে শান্তভাবেই। মৃত্যুর ঘটনা না ঘটলেই ভাল হতো।
শান্তিপূর্ণ এবং রক্তপাতহীন নির্বাচন করার পক্ষেই রয়েছি আমরা।’ ৬০ হাজার ৫৯৩টি আসনে ভোটগ্রহণ হয়। যার ফলাফল জানা যাবে ১১ জুলাই।

শুক্রবার রাতেও দিনহাটায় সাত রাউন্ড গুলি চলেছে। রেজিনগরে তৃণমূল কংগ্রেস কর্মী খুন হয়েছেন। তুফানগঞ্জে তৃণমূল কংগ্রেসের বুথ চেয়ারম্যান খুন হন। বেলডাঙা, খড়গ্রামেও খুনের ঘটনা ঘটেছে বলে অভিযোগ।