পুবের কলম, ওয়েবডেস্ক: শিয়রে রাষ্ট্রপতি নির্বাচন। আজই সেই দিন। যশবন্ত সিনহার দিকেই পাল্লা ভারী বলে মনে করা হচ্ছে। সূত্রের খবর, সিদ্ধান্ত প্রায় শেষের পথে আনুষ্ঠানিক ঘোষণার পালা। আজই আবার শাসক এবং বিরোধী দুই শিবিরেই রাষ্ট্রপতি পদ প্রার্থী চূড়ান্ত করার বৈঠক রয়েছে।
বিশেষ নজরে রয়েছে বিরোধীদের বৈঠক। শরদ পাওয়ার রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের প্রার্থী হতে চাননি। রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে বিরোধীদর প্রার্থী হতে রাজিও হয়েছেন যশবন্ত সিনহা। তাঁকে অনেক বিরোধী দলের নেতাই প্রার্থী হওয়ার অনুরোধ জানানোর পাশাপাশি তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছেও এই নিয়ে ফোন  গিয়েছে। যশবন্ত সিনহা নাকি জানিয়েছেন বিরোধী দলের নেতাদের প্রস্তাবে রাজি হয়েছেন তিনি রাষ্ট্রপতি প্রার্থী হতে তার কোনও আপত্তি নেই।
কয়েকদিন আগেই তৃণমূলে যোগ দিয়েছিলেন প্রাক্তন এই বিজেপি নেতা। মাঝখানে তৃণমূল ছেড়ে দেওয়ারও ইচ্ছা প্রকাশ করেন তিনি। রাষ্ট্রপতি প্রার্থীর প্রস্তাব আসার পর আবার সরাসরি তৃণমূল সুপ্রিমো  মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে ধন্যবাদ জানিয়েছেন যশবন্ত সিনহা।
টুইটে বৃহত্তর স্বার্থে কাজের বার্তা দিয়ে তৃণমূল ছাড়লেন যশবন্ত সিনহা।
একটি ট্যুইট করে যশবন্ত সিনহা লিখেছেন ‘তৃণমূলে মমতাজি আমাকে যে সম্মান ও প্রতিপত্তি দিয়েছেন তার জন্য আমি কৃতজ্ঞ। এখন একটা সময় এসেছে যখন বৃহত্তর জাতীয় স্বার্থে আমাকে দল থেকে সরে এসে বৃহত্তর বিরোধী ঐক্যের জন্য কাজ করতে হবে। আমি নিশ্চিত যে সে পদক্ষেপটি অনুমোদন করবেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।’
প্রথমে শরদ পাওয়ার, তারপর একে একে ফারুক আবদুল্লাহ এবং গোপালকৃষ্ণ গান্ধিও  বিরোধীদের তরফে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে প্রার্থী হতে অস্বীকার করেন। রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে শরদ পাওয়ারের পরে ফারুক আবদুল্লার নাম প্রস্তাব করেছিলেন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। শরদ পাওয়ার আগেই সম্মানের সঙ্গে মমতার প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেছিলেন।