পুবের কলম,ওয়েবডেস্ক: সদনের বাদল অধিবেশনে পেশ হওয়া দিল্লি পরিষেবা বিল এক এক করে লোকসভা এবং রাজ্যসভায় পাস হয়। এবার রাষ্ট্রপতির হস্তাক্ষরের পর তা আইনে পরিণত হল। ভারত সরকার দিল্লি  পরিষেবা বিল নিয়ে একটি বিজ্ঞপ্তিও জারি করেছে।

এর আগে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক এ বিষয়ে একটি অধ্যাদেশ আনে। যা আইনি রূপ দিতে সংসদে পেশ করা হয়।
দিল্লি পরিষেবা বিলকে আইনি রূপ দিতে সংসদের বাদল অধিবেশনে পেশ করা হয়।

 যেটি দিল্লির পরিষেবা খাতকে লেফটেন্যান্ট গর্ভনরের অধীনের নিয়ে এসেছিল, যা এখন আইনে পরিণত হল। রাজ্যসভা এবং লোকসভায় বিরোধীদের আপত্তি সত্ত্বেও বিলটিকে আইনি রূপ দিতে রাষ্ট্রপতির সিলমোহরের জন্য পাঠানো হয়। রাষ্ট্রপতির মঞ্জুরির পর তা এবার আইনে পরিণত হল। এরপরই ভারত সরকার এ সংক্রান্ত বিজ্ঞপ্তি জারি করেছে।

এই আইন মোতাবেক, ১. দিল্লি সরকারের আধিকারিকদের বদলি এবং পদোন্নতি জাতীয় সিভিল সার্ভিসেস অথরিটি করবে। এর চেয়ারম্যান মুখ্যমন্ত্রী হলেও অন্য দুই সদস্য হলেন মুখ্যসচিব এবং স্বরাষ্ট্র সচিব। অর্থাৎ মুখ্যমন্ত্রী নিজের মতে কিছু করতে পারবেন না।

 ২. এনসিসিএসএ বিধানসভা প্রণীত আইনে গঠিত আইন দ্বারা গঠিত বোর্ড বা কমিশনের নিয়োগের ক্ষেত্রে লেফটেন্যান্ট গভর্নরের কাছে নামের একটি প্যানেল সুপারিশ করবে। লেফটেন্যান্ট গভর্নরের সুপারিশকৃত নামের একটি প্যানেলের ভিত্তিতে নিয়োগ করবেন।

৩. এখন মুখ্যসচিব ঠিক করবেন মন্ত্রিসভার সিদ্ধান্ত সঠিক না ভুল।

 ৪. একইভাবে সচিব যদি মনে করেন মন্ত্রীর আদেশ আইনগতভাবে ভুল, তবে তিনি তা মানতে অস্বীকার করতে পারেন।

৫. ভিজিল্যান্স সেক্রেটারি অধ্যাদেশের পরে নির্বাচিত সরকারের কাছে দায়বদ্ধ নন, তিনি শুধু তাঁর উপর সৃষ্ট কর্তৃপক্ষের অধীনে এলজির কাছে জবাবদিহি করবেন।

 ৬. এখন মুখ্যসচিব যদি মন্ত্রিসভার সিদ্ধান্তকে বেআইনি মনে করেন তাহলে তিনি তা লেফটেন্যান্ট গভর্নরের কাছে পাঠাবেন। লেফটেন্যান্ট গভর্নমেন্টের কাছে মন্ত্রিসভার যে কোনও সিদ্ধান্ত ফিরিয়ে দেওয়ার ক্ষমতা রয়েছে।

৭. এই আইন অনুসারে দিল্লিতে যে অফিসাররা কাজ করবেন তাদের উপর দিল্লির নির্বাচিত সরকারের নিয়ন্ত্রণ শেষ হয়ে গেল, এই ক্ষমতাগুলি এলজির মাধ্যমে কেন্দ্রের কাছে চলে গেল।