পুবের কলম প্রতিবেদক: ৪ উইকেটে নিউজিল্যান্ডকে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি (ICC Champions Trophy) জিতে ২৫ বছর আগের ফাইনালের বদলা নিল ভারত। ধোনির নেতৃত্বে ২০১৩ সালে চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি জয়ের এক যুগ পর চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি এলো ভারতের ঘরে। ২০১৩ সালে মহেন্দ্র সিং ধোনির (MS Dhoni) নেতৃত্বে চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি জয়ের আইসিসির এই মিনি বিশ্বকাপের আসরে পর পর দু’বার ফাইনালে উঠেছে ভারত। ২০১৫ সালে পাকিস্তানের কাছে হেরে বিদায় নিতে হয়েছিল ভারতকে। এবার চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির নবম সংস্করণে প্রতিযোগিতার শুরু থেকেই ভারতকে পাওয়া গিয়েছে অনবদ্য মেজাজে। ফাইনালে প্রতিপক্ষ এমন একটি দল, যাদের কাছে পঁচিশ বছর আগে ফাইনালে হেরে বিদায় নিতে হয়েছিল ভারতকে। আবার সেই নিউজিল্যান্ডকেই ২০১৫ সালে সেমিফাইনালে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির (ICC Champions Trophy) ফাইনালে পৌঁছেছিল ভারত। তবে এবার কিউয়িদের প্রতিযেগিতার শুরু থেকেই বেশ ভয়ংকর দেখাচ্ছিল।
যদিও সেই নিউজিল্যান্ডকে গ্রুপের শেষ ম্যাচে হারিয়েওছিল ভারত। আর এবার কিউয়িদেরই হারিয়ে পঁচিশ বছর আগের ফাইনাল হারের বদলা নিল ভারত। ক্যাপ্টেন রোহিত শর্মার অনবদ্য ব্যাটিংয়ে নিউজিল্যান্ডকে আট উইকেটে হারিয়ে দিয়ে তৃতীয়বার চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি জয় ভারতের।আরও পড়ুন:
আরও পড়ুন: ফ্রান্স দলের মুসলিম ফুটবলারদের রোযা রাখার ওপরে নিষেধাজ্ঞা
আরও পড়ুন:
রবিবাসরীয় দুবাইয়ে টস হারের রেকর্ড গড়লেন রোহিত। টানা ১২টি ম্যাচে টস হার। সদ্যসমাপ্ত চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে (ICC Champions Trophy) সবক’টি ম্যাচে টসে হারলেন রোহিত। কিন্তু টসে হারটাই বার বার শাপে বর হয়েছে। ফাইনালেও তাঁর অন্যথা হল না।
টসে জিতে নিউজিল্যান্ড ক্যাপ্টেন মিচেল স্যান্টনার প্রথম ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নিলেন। উইল ইয়ং ও রাচীন রবীন্দ্র দুর্দান্ত শুরু করেছিলেন। একটা সময় যে নিউজিল্যান্ডকে দেখে মনে হচ্ছিল সাড়ে তিনশোর ওপর রান তুলে দেবে, সেই কিউয়ি ইনিংসে ধস নামিয়ে দিলেন ভারতীয় স্পিনাররা। বরুণ ঘূর্ণি সামলাতে পারলেন না ইয়ং। কুলদীপ বাকি কাজটা সারলেন। জাদেজাও ছিলেন অনবদ্য। তুলনায় শামি এ দিন অনেকটাই নিষ্প্রভ ছিলেন। কিন্তু শামির উইকেট না নিতে পারার অভাব বুঝতে দেননি ভারতের তিন স্পিনার। আর তাঁদের দাপটেই নিউজিল্যান্ড সীমাবদ্ধ রইল ২৫১ রানে। জবাবে ভারত ব্যাট করতে নেমেই রোহিতের ব্যাটে নতুন মরুঝড় দে'ল দুবাই। রোহিত-গিলের প্রথম উইকেট জুটিতেই সেঞ্চুরি পার্টনারশিপ গড়ে ফেলল ভারত। গ্লেন ফিলিপ্সের অবিশ্বাস্য ক্যাচে গিল ফিরলেন ৩১ রানে। ফর্মে থাকা বিরাট মাত্র ১ রানে ফিরে যাওয়ার পর রোহিতও ফিরে গেলেন ৭৬ রানে। ভারতের জয়ের পথে ছোট্ট একটা বাধা তৈরি হলেও শ্রেয়স ও অক্ষর দায়িত্ব নিয়ে ভারতের জয়ের ক্ষেত্রে উল্লে'যোগ্য ভূমিকা পালন করলেন। শ্রেয়স ৪৮ ও অক্ষর ২৯ রানে ফিরলেও রাহুল ও হার্দিক শেষ পর্যন্ত ভারতের জয় এনে দিলেন।আরও পড়ুন:
India vs New Zealand Scorecard