পুবের কলম প্রতিবেদক : পশ্চিম মেদিনীপুরের শালবনিতে তৈরি হয়ে গেল ৮০০ মেগাওয়াটের দুটি প্ল্যান্ট। আরও দু’টি প্ল্যান তৈরি হবে সেই প্রস্তাব দেওয়া হয় মন্ত্রীসভার বৈঠকে। এর আগে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়েছিলেন, পূর্ব ভারতে এমন পাওয়ার প্লান্ট আর নেই।

সেই পাওয়ার প্ল্যান্ট নিয়েই এবার সুখবর দিলেন রাজ্যের বিদ্যুৎ মন্ত্রী অরূপ বিশ্বাস। প্রসঙ্গত আগে শালবনীতে দুটি প্রকল্পের উদ্বোধন করতে গিয়ে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সেই ঘোষণা দিয়েছিলেন তার পরিপ্রেক্ষিতেই এবার কাজ শুরু করলেন দেশের অন্যতম বৃহৎ গোষ্ঠী জিন্দালরা।

শালবনীর প্লান্ট সম্পর্কে মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছিলেন, ৮০০ মেগাওয়াট করে দু’টি পাওয়ার প্লান্ট তৈরি করা হচ্ছে। এই পাওয়ার প্লান্ট তৈরি করতে জিন্দালরা ১৬ হাজার কোটি টাকা বিনিয়োগ করেছে। পূর্ব ভারতে এই ধরনের পাওয়ার প্লান্ট আর নেই বলেও জানিয়েছিলেন তিনি।

মঙ্গলবার অরূপ বিশ্বাস বলেন, “৮০০ মেগাওয়াটের দু’টি প্ল‍্যান্ট তৈরি হয়েছে। আরও নতুন দুটি প্ল‍্যান্ট তৈরির প্রস্তাব পাশ হয়েছে সোমবারের মন্ত্রী সভার মন্ত্রিসভার বৈঠকে।

পিপি মডেলে। দুর্গাঙ্গন— হিডকো এবং ট্যুরিজম মিলে করা হবে বলে আজ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে মন্ত্রিসভার বৈঠকে।”

এই শালবনী নিয়ে মন্তব্য করতে গিয়ে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছিলেন, “অনেকে বলে বিজিবিএস-এ যে ঘোষণা হয়, সেগুলো কার্যকর হয় না। বাংলায় শিল্পপতিদের জন্য একটা ডেস্টিনেশন তৈরি করে দেওয়া হয়েছে। আমরা ছ’টা ইকনমিক করিডর তৈরি করেছি।

রাজ্যে প্রায় ২ কোটি ৩০ লক্ষ মানুষ বর্তমানে বিদ্যুৎ ব্যবহার করেন। গত ১৪ বছরে বিদ্যুতের চাহিদা ১৮ শতাংশ বেড়েছে।”

বিদ্যুৎ উৎপাদনে রাজ্য দেশের মধ্যে বিশেষ নজির স্থাপন করেছে বাংলা । শিল্পক্ষেত্রের যে ডেসটিনেশন সেটাই তিনি শালবনির সভা থেকে জানিয়েছিলেন ।পশ্চিমবাংলা বিদ্যুৎ উৎপাদনে এখন দেশের সেরা ফাল্গুনের সভায় এই মন্তব্য করেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।